বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৮, ২০২১

ঢাকায় যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচিতে সাগর প্রধানের যোগদান

সান নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকম:

বিএনপির জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে ২৭ অক্টোবর বুধবার ঢাকা ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়।

নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাগর প্রধানের নেতৃত্বে যুবদলের নেতাকর্মীরা প্র্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচিতে যোগদান করেছেন।

সাগর প্রধানের সঙ্গে ছিলেন- নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদল নেতা লিংকন খান, মাহবুব হোসেন, মঞ্জু মিয়াঁ, মোহাম্মদ হোসেন, মোঃ হারুন আর রশিদ সহ অন্যান্যরা।

যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে নারায়ণগঞ্জে বিএনপি নেতা সজলের দোয়া

সান নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকম:

বিএনপির সহযোগী সংগঠন জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপির চেয়ারপার্সন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা করে নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম সজলের উদ্যোগে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।

২৭ অক্টোবর বুধবার বিকেলে নগরীতে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এসময়ে বিএনপির সাবেক রাষ্ট্রপতি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত ও চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সু- স্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনায় দোয়া করা হয়। পরে যুবদলের নেতাকর্মীদের নিয়ে কেক কেটে যুবদলের ৪৩তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন করেন মনিরুল ইসলাম সজল।

এসময়ে আরও উপস্থিত ছিলেন মহানগর যুবদলের সাবেক সহ- সভাপতি হারুন অর রশিদ লিটন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নূরে এলাহী সোহাগ, সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক এরশাদ আলী, বন্দর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক শাহাদুল্লাহ মুকুল, মহানগর ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি রাফি উদ্দিন রিয়াদ, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ মাগফুর ইসলাম পাপন, যুগ্ম সম্পাদক শরিফুল ইসলাম সজিব, মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি কামরুল হাসান রনি, সদর থানা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক জাহিদ খন্দকার, মহানগর ছাত্রদলের সদস্য মো. মাসুদ, জুনায়েদ মোল্লা জনি, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোশারফ হোসেন, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ইমরান আহমেদ তুষার, সদর থানা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক ওয়াসিম আহম্মেদ হৃদয়, বন্দর থানা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক আল মামুন, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শাহাদাৎ হোসেন, শাহাদাৎ হোসেন রনি প্রমুখ।

সোনারগাঁয়ে জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকে মনোনয়ন পেলেন যারা

সান নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকম:

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেরার ৮টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনের ভোট গ্রহণ আগামী ২৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে ইতিমধ্যে আওয়ামীলীগের নৌকা প্রতীকে ৮টি ইউনিয়নেই প্রার্থী দিয়েছে। যার মধ্যে ৪টি ইউনিয়নে জাতীয় পার্টি লাঙ্গল প্রতীকের শক্ত প্রার্থী দিয়েছে।

২৭ অক্টোবর বুধবার বিকেলে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের প্রার্থীদের হাতে মনোনয়নপত্র তুলে দেন। ওই সময় সঙ্গে ছিলেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য, ঢাকা বিভাগীয় অতিরিক্ত মহাসচিব ও নারায়ণগঞ্জ-(সোনারগাঁ) আসনের সংসদ সদস্য লিয়যাকত হোসেন খোকা।

উপজেলার সাদিপুর ইউনিয়নে আবুল হাসেম, জামপুর ইউনিয়নে আশরাফুল মাকসুদ ভুঁইয়া, শম্ভুপুরা ইউনিয়নে আব্দুর রব ও বারদী ইউনিয়নে দাইয়ান মেম্বারকে জাতীয় পার্টি লাঙ্গল প্রতীক তুলে দেয়া হয়।

ওই সময় জাতীয় পার্টির যুগ্ম মহাসচিব ও জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোঃ বেলাল হোসেন, জাতীয় পার্টির প্রচার সম্পাদক মাসুদুর রহমান মাসুম, জাতীয় পার্টি নারায়ণগঞ্জ জেলার আহ্বায়ক সানাউল্লাহ সানু, জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক পার্টি নারায়ণগঞ্জ জেলা আহ্বায়ক রোটারিয়ান গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী, জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক পার্টি সমাজ কল্যাণ সম্পাদক মোঃ আনিসুর রহমান বাবু, সোনারগাঁ উপজেলা জাতীয় পার্টি সভাপতি ও শম্ভুপুরা ইউনিয়ন জাতীয় পার্টি প্রার্থী আবদুর রউফ, উপজেলা জাতীয় পার্টি সাধারণ সম্পাদক আবু নাইম ইকবাল উপস্থিত ছিলেন।

সোনারগাঁয়ের ৪টি ইউনিয়নে জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের শক্ত প্রার্থী

সান নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকম:

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেরার ৮টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনের ভোট গ্রহণ আগামী ২৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে ইতিমধ্যে আওয়ামীলীগের নৌকা প্রতীকে ৮টি ইউনিয়নেই প্রার্থী দিয়েছে। যার মধ্যে ৪টি ইউনিয়নে জাতীয় পার্টি লাঙ্গল প্রতীকের শক্ত প্রার্থী দিয়েছে।

২৭ অক্টোবর বুধবার বিকেলে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের প্রার্থীদের হাতে মনোনয়নপত্র তুলে দেন। ওই সময় সঙ্গে ছিলেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য, ঢাকা বিভাগীয় অতিরিক্ত মহাসচিব ও নারায়ণগঞ্জ-(সোনারগাঁ) আসনের সংসদ সদস্য লিয়যাকত হোসেন খোকা।

উপজেলার সাদিপুর ইউনিয়নে আবুল হাসেম, জামপুর ইউনিয়নে আশরাফুল মাকসুদ ভুঁইয়া, শম্ভুপুরা ইউনিয়নে আব্দুর রব ও বারদী ইউনিয়নে দাইয়ান মেম্বারকে জাতীয় পার্টি লাঙ্গল প্রতীক তুলে দেয়া হয়।

IMG 20211027 183819

ওই সময় জাতীয় পার্টির যুগ্ম মহাসচিব ও জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোঃ বেলাল হোসেন, জাতীয় পার্টির প্রচার সম্পাদক মাসুদুর রহমান মাসুম, জাতীয় পার্টি নারায়ণগঞ্জ জেলার আহ্বায়ক সানাউল্লাহ সানু, জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক পার্টি নারায়ণগঞ্জ জেলা আহ্বায়ক রোটারিয়ান গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী, জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক পার্টি সমাজ কল্যাণ সম্পাদক মোঃ আনিসুর রহমান বাবু, সোনারগাঁ উপজেলা জাতীয় পার্টি সভাপতি ও শম্ভুপুরা ইউনিয়ন জাতীয় পার্টি প্রার্থী আবদুর রউফ, উপজেলা জাতীয় পার্টি সাধারণ সম্পাদক আবু নাইম ইকবাল উপস্থিত ছিলেন।

আড়াইহাজারের সাতগ্রাম ইউপি নির্বাচনে নৌকা প্রত্যাশি জোবায়ের হাসান

সান নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকম:

আসন্ন ইউপি নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার সাতগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের নৌকা প্রতীকে মনোনয়ন প্রত্যাশি জোবায়ের হাসান। তিনি ওই ইউনিয়নের পাচরুখী গ্রামের আলী আহম্মেদের ছেলে।

ঐতিহ্যবাহী আওয়ামী পরিবারের সন্তান মোঃ জোবায়ের হাসান তরুণ রাজনীতিবীদ হিসেবে ওই ইউনিয়নের সকলের কাছে পরিচিত। তিনি আড়াইহাজার আসনের এমপি নজরুল ইসলাম বাবুর অনুপ্রেরনায় নির্বাচনের প্রচারনা চালিয়ে যাচ্ছেন।

মোঃ জোবায়ের হাসান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাও গবেষনা ইনস্টিটিউট থেকে শিক্ষাবিজ্ঞান-এ স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করে এলাকার উন্নয়নের লক্ষে কাজ করে যাচ্ছেন।

তিনি বলেন, বিগত দিনে যারা অত্র ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন তারা এলাকায় তেমন কোন উন্নয়ন করতে পারেননি।

মোঃ জোবায়ের হাসান আরো বলেন, আমি যদি নৌকার মনোনয়ন পাই এবং চেয়ারম্যান নির্বাচিত হই তাহলে এলাকার সার্বিক উন্নয়ন করে সাতগ্রাম ইউনিয়নকে মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলব। আমি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের সৈনিক হয়ে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার একজন ক্ষুদ্র কর্মী হয়ে দেশ ও দশের সেবা করতে চাই।

হকার জুবায়ের হত্যার আসামি সোনারগাঁয়ের ইকবাল বরিশাল থেকে গ্রেপ্তার

সান নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকম:

নারায়ণগঞ্জ নগরীতে সংঘটিত চাঞ্চল্যকর ‘হকার জুবায়ের হোসেন’ হত্যাকান্ডের প্রধান আসামী ইকবালকে বরিশালের উজিরপুর থেকে র‌্যাব-১১ গ্রেপ্তার করেছে। ২৭ অক্টোবর বুধবার বিকেলে এ তথ্য জানান র‌্যাব-১১ এর অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল তানভীর মাহমুদ পাশা।

তিনি জানান, গত ১৪ অক্টোবর নারায়ণগঞ্জ নগরীর বঙ্গবন্ধু সড়কে বলাকা পেট্রোল পাম্পের সামনে ফুটপাতে দোকান বসানোকে কেন্দ্র করে হকার জুবায়েরকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। নিহত জুবায়ের ফতুল্লার উত্তর মাসদাইরের আমজাদ হোসেনের পুত্র। এ ঘটনায় নিহত জুবায়ের মা মুক্তা বাদী হয়ে প্রধান আসামী ইকবালসহ ৮ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ৫ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন। এই ঘটনা সকল গণমাধ্যমে সংবাদ আকারে প্রকাশিত হয় যা ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে।

র‌্যাব জানায়, উল্লেখিত বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্যাদি সংগ্রহসহ ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন ও ঘটনায় জড়িত প্রধান আসামী ইকবালসহ অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতারে র‌্যাব-১১ এর একটি গোয়েন্দা দল ছায়া তদন্ত শুরু করে।

এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৬ অক্টোবর র‌্যাব-১১ ও র‌্যাব-৮ এর একটি যৌথ আভিযানিক দল বরিশাল জেলার উজিরপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে নিহত জুবায়ের হোসেন হত্যা মামলার প্রধান আসামী মোঃ ইকবাল হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। সে সোনারগাঁও উপজেলার বুরুমদী আব্দুস সামাদের ছেলে।

র‌্যাব আরও জানায়, নারায়ণগঞ্জ নগরীর বঙ্গবন্ধু সড়কে সাধু পৌলের গির্জার সামনে ফুটপাতে সাদেকের জুতার দোকানে চাকরি করতো জুবায়ের। ফুটপাতে দোকান বসানো নিয়ে হকার স্বপনের সাথে ভিকটিম জুবায়ের এর বাকবিতন্ডা হয় এবং এক পর্যায়ে স্বপন জোবায়েরকে বলাকা পেট্রোল পাম্পের সামনে নিয়ে চর থাপ্পড় মারতে থাকে।

পরবর্তীতে ভিকটিম জুবায়ের এর প্রতিবাদ করলে হকার নেতা আসাদের হুকুমে মামলার প্রধান আসামী ইকবাল মহসিনের দোকান থেকে ধারালো চাকু এনে জুবায়েরকে কুপিয়ে জখম করে এবং অন্যান্য আসামিরাও জুবায়েরকে মারধর করে পালিয়ে যায়।

উল্লেখ্য যে শিল্পনগরী নারায়ণগঞ্জের মূল্যবান স্থাপনা ও গুরত্বপূর্ণ সড়কের ফুটপাতের নিয়ন্ত্রণ নিতে বিভিন্ন হকার গ্রুপ স্বক্রিয় যার ফলশ্রুতিতে আলোচ্য হত্যাকান্ড সংঘটিত হয় বলে প্রতীয়মান।

ফতুল্লায় সাংবাদিকের উপর হামলাকারী ওসমান গনি র‌্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার

সান নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকম:

নারায়ণগঞ্জের ফতুুল্লায় এক নারী সাংবাদিকের উপর হামলার ঘটনায় অভিযুক্ত ওসমান গনিকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১১। ২৭ অক্টোবর বুধবার বিকেলে এ তথ্য জানান র‌্যাব-১১ এর অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল তানভীর মাহমুদ পাশা।

তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-১১, সিপিএসসি, আদমজীনগর, নারায়ণগঞ্জের একটি আভিযানিক দল ২৬ অক্টোবর মঙ্গলবার গভীর রাতে নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানাধীন আকবর নগর এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ফতুল্লার বক্তাবলী এলাকায় নারী সাংবাদিককে মারধর ও হামলার মূলহোতা হাজী ওসমান গণিকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃত আসামী নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানাধীন আকবর নগর এলাকার হাজী সামাদ আলীর ছেলে।

র‌্যাব আরও জানায়, গত ২৩ অক্টোবর ফতুল্লা থানাধীন বক্তাবলী এলাকায় সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে দুস্কৃতিকারীদের হামলার শিকার হন বেসরকারি টেলিভিশন আনন্দ টিভির নারী সাংবাদিক মনি ইসলাম, যা পরবর্তী দিনে স্থানীয় সকল দৈনিক এবং বেশ কিছু জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় গুরত্ব সহকারে প্রকাশ হয়।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ঘটনার দিন উক্ত নারী সাংবাদিককে হামলাকারীরা তাদের এলাকায় খবর সংগ্রহ করতে দেখে উস্কানীমূলক বিরূপ মন্তব্য করে এবং তার সাথে অসদাচরণ করে। ভুক্তভোগী সাংবাদিক তাদের অসদাচরণের প্রতিবাদ করলে দুস্কৃুতকারীরা তাকে মারধর শুরু করে এবং একপর্যায়ে তার পেটে লাথি মেরে গুরুতরভাবে আহত করে।

আক্রান্ত নারী সাংবাদিককে উক্ত হামলা থেকে রক্ষার চেষ্টা করলে এশিয়ান টিভির ক্যামেরা ম্যান আবু বক্করসহ মোট দুইজন হামলাকারীদের হামলা ও লাঞ্চনার শিকার হন।

হামলাকারীরা ভুক্তভোগী নারী সাংবাদিকের মোবাইল ফোন, মাইক্রোফোন ও হ্যান্ডি ক্যামেরা কেড়ে নেয়। পরবর্তীতে হামলার শিকার হওয়া আহত নারী সাংবাদিক ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণ শেষে ফতুল্লা মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

এ ঘটনায় নারায়ণগঞ্জের সাংবাদিক মহলসহ স্থানীয় সুশীল সমাজে তীব্র ক্ষোভ ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। উক্ত চাঞ্চল্যকর হামলার ঘটনার প্রেক্ষিতে র‌্যাব-১১ এর একটি গোয়েন্দা দল ছায়া তদন্ত ও নিবিড় অনুসন্ধান শুরু করে ঘটনার সত্যতা খুঁজে পায় এবং হামলাকারী উক্ত দুস্কৃতিকারী চক্রের মূলহোতা হাজী ওসমান গণিকে সনাক্ত করতে সক্ষম হয়।

অতঃপর র‌্যাব-১১, সিপিএসসি এর একটি চৌকস আভযানিক দল কর্তৃক অভিযান পরিচালনা করে নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানাধীন আকবর নগর এলাকা থেকে উক্ত ন্যাক্কারজনক ঘটনার প্রধান আসামী হাজী ওসমান গণিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত আসামী নারী সাংবাদিকের উপর হামলা ও মারধরের কথা স্বীকার করে। উক্ত হামলায় জড়িত পলাতক অন্যান্য আসামীদের গ্রেপ্তারে র‌্যাবের অভিযান চলমান রয়েছে।

চেয়ারম্যান প্রার্থী সায়েমের আনারস মার্কা নিয়ে ভোটের মাঠে আলীরটেকবাসী

সান নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকম:

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার আলীরটেক ইউনিয়ন পরিষদের গত নির্বাচনে বিনা ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন বর্তমান চেয়ারম্যান মতিউর রহমান মতি। গত বছর নারায়ণগঞ্জ-৫(সদর-বন্দর) আসনের জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য একেএম সেলিম ওসমান আলীরটেক ইউনিয়নের একটি অনুষ্ঠানে এবারের নির্বাচনেও মতিউর রহমান মতিকে সমর্থন ঘোষণা করেছিলেন। ওই ঘোষণার পর মতি ও তার লোকজন এলাকায় প্রচার করতে থাকেন এবারের নির্বাচনেও বিনা ভোটে মতিউর রহমান চেয়ারম্যান হতে যাচ্ছেন। এখানে উল্লেখ্যযে, গত নির্বাচনেও সায়েম শক্ত প্রার্থী ছিলেন, কিন্তু মতি অনেক আকুতি মিনতি করে, এবারের নির্বাচনে সায়েমকে সমর্থন দেয়ার প্রতিশ্রতি দিয়ে প্রভাবশালীদের মাধ্যমে অনুরোধ করিয়ে নির্বাচন থেকে সরানো হয়েছিল।

মতি আবারো বিনা ভোটে চেয়ারম্যান হতে যাচ্ছেন এমন প্রচারণার পর আলীরটেক ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষকে নিয়ে নির্বাচন ও সুষ্ঠু ভোটের দাবিতে আন্দোলনে নামেন এবারের নির্বাচনে আনারস প্রতীকে চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ সায়েম আহমেদ। প্রভাবশালীদের রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে টানা কয়েক মাস সায়েম আহমেদ আলীরটেক ইউনিয়নবাসীকে নিয়ে নির্বাচন ও ভোটের দাবিতে আন্দোলন করে আসেন। সায়েম আহমেদের এমন সাহসিকতায় স্থানীয় আওয়ামীলীগ ও এর অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা সহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষজন সায়েম আহমেদকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাওয়ার দাবি নিয়ে নৌকা প্রতীকের প্রত্যাশি হিসেবে নির্বাচনী মাঠে লড়ে যান। সঙ্গে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ একজোট হয়ে সায়েমকে চেয়ারম্যান বানাতে কাজ করে যান। যার ফলশ্রুতিতে বর্তমান চেয়ারম্যান মতিউর রহমান মতির জনপ্রিয়তা শূন্যে নেমে আসে।

কিন্তু নির্বাচন নাগাদ সময়ে আলীরটেক ইউনিয়নে নৌকা প্রতীক প্রত্যাশি চেয়ারম্যান প্রার্থী সায়েম আহমেদের সঙ্গে নৌকার লড়াইয়ে নামেন বর্তমান চেয়ারম্যান মতিউর রহমান মতি। তিনি নৌকা প্রতীক পেয়ে যান। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনের প্রস্তুতি নেন সাযেম আহমেদ। সায়েম মনোনয়নপত্র দাখিলের পর নৌকা প্রতীক পেলেও এলাকার লোকজনকে ডেকেও কাছে আনতে পারেননি মতি। এর আগে মতি এলাকায় প্রচার করেন সায়েম মনোনয়ন পত্রটি দাখিল করতেই পারবেন না। কিন্তু মনোনয়ন পত্র দাখিলের পর সায়েম আহমেদের নির্বাচনী মাঠ হয়ে ওঠে চাঙ্গা। এমন পরিস্থিতিতে নৌকার প্রার্থী মতির সঙ্গে কোনো লোকজনকে পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে স্থানীয়রা আরো বলছেন- প্র্রভাবশালীরা মতির পরাজয় যখন নিশ্চিত দেখেছে, তখন জামাত হেফাজত ঘেষা সাবেক চেয়ারম্যান জাকির হোসেনকে মাঠে নামায়। মতি অসুস্থ্যতার অজুহাত দেখিয়ে নির্বাচন থেকে সরে যান। প্রভাবশালীরা মতির নৌকা বাতিল করে জাকির হোসেনকে দিয়ে নৌকা প্রতীক নিয়ে আসে। এরপর কেন্দ্রীয় হেফাজতে ইসলামের সাবেক প্রচার সম্পাদক ও জেলা হেফাজতে ইসলামের সমন্বয়ক মাওলানা ফেরদাউসুর রহমান সহ হেফাজত নেতাকর্মীদের নিয়ে জাকির হোসেন নৌকা প্রতীকে মনোনয়নপত্রটি দাখিল করেন।

এমন পরিস্থিতিতে জাকির হোসেন নৌকা প্রতীক নেয়ায় একদিকে বিএনপি জামাতের লোকজন জাকির হোসেন থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন, অন্যদিকে জামাত হেফাজত ঘেষা জাকিরকে নৌকা দেয়ায় আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীরাও মুখ ঘুরিয়ে নিয়েছেন। ফলে জাকির হোসেনের অবস্থাও নড়বড়ে হয়ে ওঠে। যেখানে স্বতন্ত্র প্রার্থী সায়েম এলাকায় গেলে হাজার হাজার জনতার ভীড় জমে, সেখানে জাকির হোসেন কর্মীসভা ডেকেও লোকজন পাচ্ছেন না। এবার জাকির হোসেনও বিনা ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে নানা ষড়যন্ত্র আটে। স্বতন্ত্র প্রার্থী সায়েম আহমেদকে নির্বাচন থেকে সরাতে সায়েম আহমেদ ও তার আত্মীয়স্বজন-নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে এসএম সালেহ আহমেদ খোকন নামের এক ব্যক্তিকে বাদী সাজিয়ে একটি হয়রানিমুলক মামলা দায়ের করে দেন।

জাকির হোসেনের এমন কুটকৌশলের পর অবাধ সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের লক্ষ্যে মিথ্যা মামলায় স্বতন্ত্র প্র্রার্থীর আত্মীয়স্বজন ও নেতাকর্মীদের হয়রানি না করার দাবিতে এবং নিরীহ মানুষদের নির্যাতন না করার দাবি তুলে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এবং পুলিশের মহা-পরিদর্শক (আইজিপি) সহ ৮টি রাষ্ট্রীয় দপ্তরে লিখিত আবেদন করেছেন স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী সায়েম আহমেদ।

গত ২৫ অক্টোবর সোমবার ও ২৬ অক্টোবর মঙ্গলবার চেয়ারম্যান প্রার্থী সায়েম আহমেদ এসব দপ্তরে লিখিত আবেদন করেন। লিখিত আবেদনে তিনি অভিযোগ তুলেছেন- ইউপি নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার লক্ষ্যে চেয়ারম্যান প্রার্থী সায়েম আহমেদ ও তার নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা কল্পকাহিনী সাঁজিয়ে গত ২২ অক্টোবর নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় একটি হয়রানিমুলক মামলা দায়ের করে হয়রানি করা হচ্ছে এবং আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রভাবিত করে এলাকার নিরীহ জনগণ সহ তার লোকজনকে এলাকা ছাড়ার হুমকি ধমকি দিচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

২৫ অক্টোবর সোমবার প্রধান নির্বাচন কমিশন, পুুলিশ হেডকোয়াটার্স আইজিপির কমপ্লেইন মনিটরিং সেল, পুলিশের ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি এবং ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার বরাবর লিখিত আবেদন করেন তিনি। এছাড়াও ২৬ অক্টোবর মঙ্গলবার নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক, জেলা পুলিশ সুপার, জেলা নির্বাচন কমিশনার ও নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর একই আবেদন তিনি দাখিল করেছেন।

সর্বশেষ ২৭ অক্টোবর বুধবার দুপুরে নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার সদর উপজেলার প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা আতাউর রহমান ভূঁঞার হাত থেকে চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ সায়েম আহমেদের আনারস প্রতীক গ্রহণ করেছেন প্রস্তাবকারী মোহাম্মদ হোসেন ও সমর্থনকারী হাজী মনির হোসেন। সায়েম আহমেদ অবেশেষ আনারস প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন। সায়েম আহমেদের দীর্ঘ এই লড়াইয়ে আলীরটেক ইউনিয়নবাসী তাদের ভোটের অধিকার ফিরে পেলো। যে কারনে আলীরটেকবাসী সায়েমের এমন সাহসিকতার পুরস্কার হিসেবে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করতে চায় বলে আলীরটেকবাসী জানান।

জাকিরের বিনা ভোটে জয়ের চেষ্টা ব্যর্থ, আনারস নিয়ে নির্বাচনী মাঠে সায়েম!

সান নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকম:

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার আলীরটেক ইউনিয়ন পরিষদের গত নির্বাচনে বিনা ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন বর্তমান চেয়ারম্যান মতিউর রহমান মতি। গত বছর নারায়ণগঞ্জ-৫(সদর-বন্দর) আসনের জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য একেএম সেলিম ওসমান আলীরটেক ইউনিয়নের একটি অনুষ্ঠানে এবারের নির্বাচনেও মতিউর রহমান মতিকে সমর্থন ঘোষণা করেছিলেন। ওই ঘোষণার পর মতি ও তার লোকজন এলাকায় প্রচার করতে থাকেন এবারের নির্বাচনেও বিনা ভোটে মতিউর রহমান চেয়ারম্যান হতে যাচ্ছেন। এখানে উল্লেখ্যযে, গত নির্বাচনেও সায়েম শক্ত প্রার্থী ছিলেন, কিন্তু মতি অনেক আকুতি মিনতি করে, এবারের নির্বাচনে সায়েমকে সমর্থন দেয়ার প্রতিশ্রতি দিয়ে প্রভাবশালীদের মাধ্যমে অনুরোধ করিয়ে নির্বাচন থেকে সরানো হয়েছিল।

মতি আবারো বিনা ভোটে চেয়ারম্যান হতে যাচ্ছেন এমন প্রচারণার পর আলীরটেক ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষকে নিয়ে নির্বাচন ও সুষ্ঠু ভোটের দাবিতে আন্দোলনে নামেন এবারের নির্বাচনে আনারস প্রতীকে চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ সায়েম আহমেদ। প্রভাবশালীদের রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে টানা কয়েক মাস সায়েম আহমেদ আলীরটেক ইউনিয়নবাসীকে নিয়ে নির্বাচন ও ভোটের দাবিতে আন্দোলন করে আসেন। সায়েম আহমেদের এমন সাহসিকতায় স্থানীয় আওয়ামীলীগ ও এর অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা সহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষজন সায়েম আহমেদকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাওয়ার দাবি নিয়ে নৌকা প্রতীকের প্রত্যাশি হিসেবে নির্বাচনী মাঠে লড়ে যান। সঙ্গে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ একজোট হয়ে সায়েমকে চেয়ারম্যান বানাতে কাজ করে যান। যার ফলশ্রুতিতে বর্তমান চেয়ারম্যান মতিউর রহমান মতির জনপ্রিয়তা শূন্যে নেমে আসে।

কিন্তু নির্বাচন নাগাদ সময়ে আলীরটেক ইউনিয়নে নৌকা প্রতীক প্রত্যাশি চেয়ারম্যান প্রার্থী সায়েম আহমেদের সঙ্গে নৌকার লড়াইয়ে নামেন বর্তমান চেয়ারম্যান মতিউর রহমান মতি। তিনি নৌকা প্রতীক পেয়ে যান। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনের প্রস্তুতি নেন সাযেম আহমেদ। সায়েম মনোনয়নপত্র দাখিলের পর নৌকা প্রতীক পেলেও এলাকার লোকজনকে ডেকেও কাছে আনতে পারেননি মতি। এর আগে মতি এলাকায় প্রচার করেন সায়েম মনোনয়ন পত্রটি দাখিল করতেই পারবেন না। কিন্তু মনোনয়ন পত্র দাখিলের পর সায়েম আহমেদের নির্বাচনী মাঠ হয়ে ওঠে চাঙ্গা। এমন পরিস্থিতিতে নৌকার প্রার্থী মতির সঙ্গে কোনো লোকজনকে পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে স্থানীয়রা আরো বলছেন- প্র্রভাবশালীরা মতির পরাজয় যখন নিশ্চিত দেখেছে, তখন জামাত হেফাজত ঘেষা সাবেক চেয়ারম্যান জাকির হোসেনকে মাঠে নামায়। মতি অসুস্থ্যতার অজুহাত দেখিয়ে নির্বাচন থেকে সরে যান। প্রভাবশালীরা মতির নৌকা বাতিল করে জাকির হোসেনকে দিয়ে নৌকা প্রতীক নিয়ে আসে। এরপর কেন্দ্রীয় হেফাজতে ইসলামের সাবেক প্রচার সম্পাদক ও জেলা হেফাজতে ইসলামের সমন্বয়ক মাওলানা ফেরদাউসুর রহমান সহ হেফাজত নেতাকর্মীদের নিয়ে জাকির হোসেন নৌকা প্রতীকে মনোনয়নপত্রটি দাখিল করেন।

এমন পরিস্থিতিতে জাকির হোসেন নৌকা প্রতীক নেয়ায় একদিকে বিএনপি জামাতের লোকজন জাকির হোসেন থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন, অন্যদিকে জামাত হেফাজত ঘেষা জাকিরকে নৌকা দেয়ায় আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীরাও মুখ ঘুরিয়ে নিয়েছেন। ফলে জাকির হোসেনের অবস্থাও নড়বড়ে হয়ে ওঠে। যেখানে স্বতন্ত্র প্রার্থী সায়েম এলাকায় গেলে হাজার হাজার জনতার ভীড় জমে, সেখানে জাকির হোসেন কর্মীসভা ডেকেও লোকজন পাচ্ছেন না। এবার জাকির হোসেনও বিনা ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে নানা ষড়যন্ত্র আটে। স্বতন্ত্র প্রার্থী সায়েম আহমেদকে নির্বাচন থেকে সরাতে সায়েম আহমেদ ও তার আত্মীয়স্বজন-নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে এসএম সালেহ আহমেদ খোকন নামের এক ব্যক্তিকে বাদী সাজিয়ে একটি হয়রানিমুলক মামলা দায়ের করে দেন।

জাকির হোসেনের এমন কুটকৌশলের পর অবাধ সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের লক্ষ্যে মিথ্যা মামলায় স্বতন্ত্র প্র্রার্থীর আত্মীয়স্বজন ও নেতাকর্মীদের হয়রানি না করার দাবিতে এবং নিরীহ মানুষদের নির্যাতন না করার দাবি তুলে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এবং পুলিশের মহা-পরিদর্শক (আইজিপি) সহ ৮টি রাষ্ট্রীয় দপ্তরে লিখিত আবেদন করেছেন স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী সায়েম আহমেদ।

গত ২৫ অক্টোবর সোমবার ও ২৬ অক্টোবর মঙ্গলবার চেয়ারম্যান প্রার্থী সায়েম আহমেদ এসব দপ্তরে লিখিত আবেদন করেন। লিখিত আবেদনে তিনি অভিযোগ তুলেছেন- ইউপি নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার লক্ষ্যে চেয়ারম্যান প্রার্থী সায়েম আহমেদ ও তার নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা কল্পকাহিনী সাঁজিয়ে গত ২২ অক্টোবর নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় একটি হয়রানিমুলক মামলা দায়ের করে হয়রানি করা হচ্ছে এবং আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রভাবিত করে এলাকার নিরীহ জনগণ সহ তার লোকজনকে এলাকা ছাড়ার হুমকি ধমকি দিচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

২৫ অক্টোবর সোমবার প্রধান নির্বাচন কমিশন, পুুলিশ হেডকোয়াটার্স আইজিপির কমপ্লেইন মনিটরিং সেল, পুলিশের ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি এবং ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার বরাবর লিখিত আবেদন করেন তিনি। এছাড়াও ২৬ অক্টোবর মঙ্গলবার নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক, জেলা পুলিশ সুপার, জেলা নির্বাচন কমিশনার ও নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর একই আবেদন তিনি দাখিল করেছেন।

IMG 20211027 140025

সর্বশেষ ২৭ অক্টোবর বুধবার দুপুরে নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার সদর উপজেলার প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা আতাউর রহমান ভূঁঞার হাত থেকে চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ সায়েম আহমেদের আনারস প্রতীক গ্রহণ করেছেন প্রস্তাবকারী মোহাম্মদ হোসেন ও সমর্থনকারী হাজী মনির হোসেন। সায়েম আহমেদ অবেশেষ আনারস প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন। সায়েম আহমেদের দীর্ঘ এই লড়াইয়ে আলীরটেক ইউনিয়নবাসী তাদের ভোটের অধিকার ফিরে পেলো। যে কারনে আলীরটেকবাসী সায়েমের এমন সাহসিকতার পুরস্কার হিসেবে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করতে চায় বলে আলীরটেকবাসী জানান।

চেয়ারম্যান প্রার্থী সায়েমের লড়াইয়ে ভোটের অধিকার পেলো আলীরটেকবাসী

সান নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকম:

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার আলীরটেক ইউনিয়ন পরিষদের গত নির্বাচনে বিনা ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন বর্তমান চেয়ারম্যান মতিউর রহমান মতি। গত বছর নারায়ণগঞ্জ-৫(সদর-বন্দর) আসনের জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য একেএম সেলিম ওসমান আলীরটেক ইউনিয়নের একটি অনুষ্ঠানে এবারের নির্বাচনেও মতিউর রহমান মতিকে সমর্থন ঘোষণা করেছিলেন। ওই ঘোষণার পর মতি ও তার লোকজন এলাকায় প্রচার করতে থাকেন এবারের নির্বাচনেও বিনা ভোটে মতিউর রহমান চেয়ারম্যান হতে যাচ্ছেন। এখানে উল্লেখ্যযে, গত নির্বাচনেও সায়েম শক্ত প্রার্থী ছিলেন, কিন্তু মতি অনেক আকুতি মিনতি করে, এবারের নির্বাচনে সায়েমকে সমর্থন দেয়ার প্রতিশ্রতি দিয়ে প্রভাবশালীদের মাধ্যমে অনুরোধ করিয়ে নির্বাচন থেকে সরানো হয়েছিল।

মতি আবারো বিনা ভোটে চেয়ারম্যান হতে যাচ্ছেন এমন প্রচারণার পর আলীরটেক ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষকে নিয়ে নির্বাচন ও সুষ্ঠু ভোটের দাবিতে আন্দোলনে নামেন এবারের নির্বাচনে আনারস প্রতীকে চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ সায়েম আহমেদ। প্রভাবশালীদের রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে টানা কয়েক মাস সায়েম আহমেদ আলীরটেক ইউনিয়নবাসীকে নিয়ে নির্বাচন ও ভোটের দাবিতে আন্দোলন করে আসেন। সায়েম আহমেদের এমন সাহসিকতায় স্থানীয় আওয়ামীলীগ ও এর অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা সহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষজন সায়েম আহমেদকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাওয়ার দাবি নিয়ে নৌকা প্রতীকের প্রত্যাশি হিসেবে নির্বাচনী মাঠে লড়ে যান। সঙ্গে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ একজোট হয়ে সায়েমকে চেয়ারম্যান বানাতে কাজ করে যান। যার ফলশ্রুতিতে বর্তমান চেয়ারম্যান মতিউর রহমান মতির জনপ্রিয়তা শূন্যে নেমে আসে।

কিন্তু নির্বাচন নাগাদ সময়ে আলীরটেক ইউনিয়নে নৌকা প্রতীক প্রত্যাশি চেয়ারম্যান প্রার্থী সায়েম আহমেদের সঙ্গে নৌকার লড়াইয়ে নামেন বর্তমান চেয়ারম্যান মতিউর রহমান মতি। তিনি নৌকা প্রতীক পেয়ে যান। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনের প্রস্তুতি নেন সাযেম আহমেদ। সায়েম মনোনয়নপত্র দাখিলের পর নৌকা প্রতীক পেলেও এলাকার লোকজনকে ডেকেও কাছে আনতে পারেননি মতি। এর আগে মতি এলাকায় প্রচার করেন সায়েম মনোনয়ন পত্রটি দাখিল করতেই পারবেন না। কিন্তু মনোনয়ন পত্র দাখিলের পর সায়েম আহমেদের নির্বাচনী মাঠ হয়ে ওঠে চাঙ্গা। এমন পরিস্থিতিতে নৌকার প্রার্থী মতির সঙ্গে কোনো লোকজনকে পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে স্থানীয়রা আরো বলছেন- প্র্রভাবশালীরা মতির পরাজয় যখন নিশ্চিত দেখেছে, তখন জামাত হেফাজত ঘেষা সাবেক চেয়ারম্যান জাকির হোসেনকে মাঠে নামায়। মতি অসুস্থ্যতার অজুহাত দেখিয়ে নির্বাচন থেকে সরে যান। প্রভাবশালীরা মতির নৌকা বাতিল করে জাকির হোসেনকে দিয়ে নৌকা প্রতীক নিয়ে আসে। এরপর কেন্দ্রীয় হেফাজতে ইসলামের সাবেক প্রচার সম্পাদক ও জেলা হেফাজতে ইসলামের সমন্বয়ক মাওলানা ফেরদাউসুর রহমান সহ হেফাজত নেতাকর্মীদের নিয়ে জাকির হোসেন নৌকা প্রতীকে মনোনয়নপত্রটি দাখিল করেন।

এমন পরিস্থিতিতে জাকির হোসেন নৌকা প্রতীক নেয়ায় একদিকে বিএনপি জামাতের লোকজন জাকির হোসেন থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন, অন্যদিকে জামাত হেফাজত ঘেষা জাকিরকে নৌকা দেয়ায় আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীরাও মুখ ঘুরিয়ে নিয়েছেন। ফলে জাকির হোসেনের অবস্থাও নড়বড়ে হয়ে ওঠে। যেখানে স্বতন্ত্র প্রার্থী সায়েম এলাকায় গেলে হাজার হাজার জনতার ভীড় জমে, সেখানে জাকির হোসেন কর্মীসভা ডেকেও লোকজন পাচ্ছেন না। এবার জাকির হোসেনও বিনা ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে নানা ষড়যন্ত্র আটে। স্বতন্ত্র প্রার্থী সায়েম আহমেদকে নির্বাচন থেকে সরাতে সায়েম আহমেদ ও তার আত্মীয়স্বজন-নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে এসএম সালেহ আহমেদ খোকন নামের এক ব্যক্তিকে বাদী সাজিয়ে একটি হয়রানিমুলক মামলা দায়ের করে দেন।

জাকির হোসেনের এমন কুটকৌশলের পর অবাধ সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের লক্ষ্যে মিথ্যা মামলায় স্বতন্ত্র প্র্রার্থীর আত্মীয়স্বজন ও নেতাকর্মীদের হয়রানি না করার দাবিতে এবং নিরীহ মানুষদের নির্যাতন না করার দাবি তুলে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এবং পুলিশের মহা-পরিদর্শক (আইজিপি) সহ ৮টি রাষ্ট্রীয় দপ্তরে লিখিত আবেদন করেছেন স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী সায়েম আহমেদ।

গত ২৫ অক্টোবর সোমবার ও ২৬ অক্টোবর মঙ্গলবার চেয়ারম্যান প্রার্থী সায়েম আহমেদ এসব দপ্তরে লিখিত আবেদন করেন। লিখিত আবেদনে তিনি অভিযোগ তুলেছেন- ইউপি নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার লক্ষ্যে চেয়ারম্যান প্রার্থী সায়েম আহমেদ ও তার নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা কল্পকাহিনী সাঁজিয়ে গত ২২ অক্টোবর নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় একটি হয়রানিমুলক মামলা দায়ের করে হয়রানি করা হচ্ছে এবং আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রভাবিত করে এলাকার নিরীহ জনগণ সহ তার লোকজনকে এলাকা ছাড়ার হুমকি ধমকি দিচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

২৫ অক্টোবর সোমবার প্রধান নির্বাচন কমিশন, পুুলিশ হেডকোয়াটার্স আইজিপির কমপ্লেইন মনিটরিং সেল, পুলিশের ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি এবং ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার বরাবর লিখিত আবেদন করেন তিনি। এছাড়াও ২৬ অক্টোবর মঙ্গলবার নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক, জেলা পুলিশ সুপার, জেলা নির্বাচন কমিশনার ও নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর একই আবেদন তিনি দাখিল করেছেন।

IMG 20211027 140025

সর্বশেষ ২৭ অক্টোবর বুধবার দুপুরে নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার সদর উপজেলার প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা আতাউর রহমান ভূঁঞার হাত থেকে চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ সায়েম আহমেদের আনারস প্রতীক গ্রহণ করেছেন প্রস্তাবকারী মোহাম্মদ হোসেন ও সমর্থনকারী হাজী মনির হোসেন। সায়েম আহমেদ অবেশেষ আনারস প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন। সায়েম আহমেদের দীর্ঘ এই লড়াইয়ে আলীরটেক ইউনিয়নবাসী তাদের ভোটের অধিকার ফিরে পেলো। যে কারনে আলীরটেকবাসী সায়েমের এমন সাহসিকতার পুরস্কার হিসেবে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করতে চায় বলে আলীরটেকবাসী জানান।

সর্বশেষ সংবাদ