ডেস্ক রিপোর্ট
নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ শাহ আলম প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, “এখনি বিভিন্ন প্রার্থীর লোকজন হুমকি-ধমকি দেওয়া শুরু করেছে এবং টেলিফোনের মাধ্যমে মানুষকে ধমকাচ্ছে। আমি মনে করি, প্রশাসন এই বিষয়গুলো দেখার দায়িত্ব পালন করবে।”
২৩ জানুয়ারী শুক্রবার দুপুরে ফতুল্লা রঘুনাথপুর এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণার সময় এই অভিযোগ করেন তিনি।
শাহ আলম আরও বলেন, “দীর্ঘ ১৭ বছর বিএনপি পরিবারের নেতাকর্মীরা রাজপথে আন্দোলন সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছেন, কিন্তু আজ তাদের রক্তক্ষরণ হচ্ছে। নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে ধানের শীষ মার্কা না থাকার কারণে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। নেতাকর্মী ও এলাকাবাসীর দাবির মুখে বিএনপিকে টিকিয়ে রাখার জন্যই আমরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছি। দল-মত ও ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে আমরা জনগণের প্রার্থী। আল্লাহর রহমতে যদি আমরা নির্বাচিত হই, জনগণ আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করলে এই এলাকার উন্নয়ন সাধন করব।”
সুষ্ঠু নির্বাচনের বিষয়ে তিনি বলেন, “প্রশাসন যদি নিরপেক্ষ থাকে এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, তাহলে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের জনগণ আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবে। জনগণ ভোট দেওয়ার জন্য প্রস্তুত, তারা শুধু নিরপেক্ষ নির্বাচন চায়।”
এরপর শাহ আলম মাহমুদপুরে একটি গণসংযোগে নির্বাচিত হলে সর্বপ্রথম ফতুল্লা ও আশেপাশের এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোটারদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দেন।
প্রচারণায় উপস্থিত ছিলেন, ফতুল্লা থানা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক জাহিদ হাসান রোজেল, সাবেক সদস্য সচিব নজরুল ইসলাম পান্না মোল্লা, জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এম.এ. আকবর, সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমান খোকা, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি আতাউর রহমান মোল্লা, যুবদল নেতা আব্দুর রহমান বিশ্বাস, কুতুবপুর ইউনিয়ন ১ নম্বর ওয়ার্ডের যুবদল সভাপতি জামান মোল্লা, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক যুবদল নেতা আলামিন প্রধান প্রমুখ।


