আওয়ামীলীগকে রাজনীতি করার অনুমতি দিয়েছিলেন জিয়াউর রহমান: সাখাওয়াত

সান নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকম:

নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান বলেছেন, স্বাধীনতার পরে বাংলাদেশে গণতন্ত্রকে হত্যা করে বাকশাল কায়েম করা হয়েছিল। সকল রাজনৈতিক দলের রেজিস্ট্রেশন বাতিল করে দেওয়া হয়েছিল। চারটি পত্রিকা ছাড়া বাকি সকল গণমাধ্যম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাকশালী শাসন ব্যবস্থা থেকে দেশবাসীকে মুক্তি দিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এমনকি আওয়ামী লীগকে পুনরায় রেজিস্ট্রেশন প্রদান করে রাজনীতি করার অনুমতি দিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। কারণ বাকশালী শাসন ব্যবস্থায় আওয়ামী লীগও বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছিল।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র ৪৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী হোসিয়ারি শ্রমিকদলের উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

১ সেপ্টেম্বর বুধবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জ নগরীর প্রধান সড়কে নারায়ণগঞ্জ ক্লাব মার্কেটের তৃতীয় তলায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত আরো বলেন, স্বাধীনতা পরবর্তী বাকশালী শাসন ব্যবস্থার মতো বর্তমান সরকারও গণতন্ত্রকে হত্যা করে ভিন্ন নামে বাকশালী শাসন ব্যবস্থা কায়েম করেছে। সরকারি দলের নিপীড়ন নির্যাতনে দেশের মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে গেছে। চারিদিকে শুধু দুর্নীতি আর দুর্নীতি। দেশের মানুষের মৌলিক অধিকার নাই, সংবাদপত্রের স্বাধীনতাও আস্তে আস্তে বিলুপ্তির পথে। দেশের মানুষকে এই বাকশালী শাসন ব্যবস্থা থেকে মুক্তি দিতে এবং দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য শহীদ জিয়ার আদর্শ বুকে ধারণ করে আন্দোলন সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের যে চেতনা ও ইসলামী মূল্যবোধের যে আদর্শ রেখে গেছেন, তা বাস্তবায়ন করতে হবে। তবেই দেশের মানুষের হারানো গণতন্ত্র ও ভোটের অধিকার ফিরে আসবে। আজকে বিএনপি’র ৪৩ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আমাদেরকে সেই শপথ নিতে হবে।

IMG 20210901 201445

হোসিয়ারি শ্রমিকদলের সভাপতি আব্দুল মতিন ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপি’র সহ-সভাপতি মনির হোসেন খান, মহানগর কৃষকদলের সদস্য সচিব গুলজার হোসেন খান, জেলা মৎস্যজীবী দলের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট এইচএম আনোয়ার প্রধান, মহানগর যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক সাগর প্রধান, জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি পারভেজ মল্লিক, জেলা যুবদলের সদস্য অ্যাডভোকেট একেএম ওমর ফারুক নয়ন, সোনালী ব্যাংক শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম মিয়া, হোসিয়ারি শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন বেপারী, শাহাবুদ্দিন বেপারী, ইমামুদ্দিন, আবে জমজম মোল্লা, আলী হোসেন, সৈয়দ আলী, মহানগর তাঁতী দলের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন, মহানগর যুবদল নেতা তরিকুল ইসলাম, সম্রাট হাসান সুজন, রিকসন খান, পলাশ প্রধান, ফতুল্লা থানা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি রাসেল প্রধান, সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক নাইম খানসহ নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।