বিএনপিতে মুল্যায়নের অপেক্ষা

সান নারায়ণগঞ্জ

২০০৯ সাল থেকে শুরুর দিক থেকে বিএনপির সকল আন্দোলন সংগ্রামে যারা বিশেষ ভুমিকা রেখেছিলেন তাদের অনেকেরই মুল্যায়ন করতে পারেনি বিএনপি। অনেকেই শেষের দু’ আড়াই বছর আন্দোলন সংগ্রাম করে দলের চূড়ান্ত মুল্যায়ন পেয়েছেন। তবে স্থানীয় নেতাকর্মীরা বলছেন- দল মাত্র ক্ষমতায় আসছে সাত মাস হলো। ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়নের আরো সুযোগ ও সময় বাকি রয়েছে। তবে সেই অপেক্ষায় দিন গুনছেন বিএনপির নেতারা।

মাহামুদুর রহমান সুমন তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় অর্থনেতিক বিষয়ক সম্পাদক পদে রয়েছেন। তিনি ছিলেন আড়াইহাজার উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি, পরবর্তীতে জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি পদেও দায়িত্ব পালন করেছেন। গত নির্বাচনে তিনি দলের মনোনয়ন চাইলেও পাননি। তার অনুগামী নেতাকর্মীরা অপেক্ষায় আছেন তার মুল্যায়নের। কাজী মনিরুজ্জামান মনির তিনি জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে ছিলেন দীর্ঘদিন। আছেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য পদেও। তিনিও গত নির্বাচনে দলের মনোনয়ন চাইলেও পাননি। তবে তার মুল্যায়ন না হওয়ায় নেতাকর্মীরা চরম হতাশা।

আওয়ামীলীগ সরকারের শেষের ৩ বছর পুরোদমে রাজপথে ভুমিকা রেখেছিলেন মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপু। পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়ে দীর্ঘদিন কারাভোগ করেছিলেন টিপু। একেএকে অনেকের মুল্যায়ন ঘটলেও টিপুর মুল্যায়ন দেখতে পায়নি নেতাকর্মীরা। ২০০৯ সালে শহর বিএনপির সেক্রেটারি হয়ে ২০১৭ সালে মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হয়ে ২০২২ সালে বহিষ্কৃত হোন এটিএম কামাল। দীর্ঘ এই সময়গুলো তিনি বিএনপির আন্দোলন সংগ্রামে রাজপথে কাটিয়েছেন। গত নির্বাচনে দলে ফিরলেও তাকে মুল্যায়ন করেনি বিএনপি।

বিএনপির কঠিন সময়ে জেলা যুবদলের সেক্রেটারি পদে নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং জেলা বিএনপিরও সেক্রেটারি পদে নেতৃ্ত্ব দিয়েছেন গোলাম ফারুক খোকন। রাজপথের অগ্রদূত ছিলেন মহানগর যুবদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালনকারী মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ। কিন্তু মুল্যায়ন পায়নি খোকন ও খোরশেদও। খোরশেদের অবমুল্যায়নে চরম হতাশা বিএনপির নেতাকর্মীরা।

এ ছাড়াও মূল্যায়নের অপেক্ষায় রুপগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাহাফুজুর রহমান হুমায়ুন, সাধারণ সম্পাদক বাছির উদ্দীন বাচ্চু, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবু মোহাম্মদ শরীফুল হক টুটুল, আড়াইহাজার উপজেলা বিএনপির সভাপতি ইউসুফ আলী ভূঁইয়া, সাধারণ সম্পাদক জুয়েল আহমেদ, ফতুল্লা থানা বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম টিটু, সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াদ চৌধুরীর মত নেতাদের। এ ছাড়াও জেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি লুৎফর রহমান আব্দুও রয়েছেন মূল্যায়নের বাহিরে।