শুধুই আলোচনা নাকি নেতৃত্বের পূণর্গঠন বা পরিবর্তন?
সান নারায়ণগঞ্জ
বেশকদিন যাবত নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির কমিটি পরিবর্তন বা নতুন কমিটি গঠনের বিষয়ে স্থানীয় নেতাকর্মীদের বরাদ দিয়ে স্থানীয় গণমাধ্যমগুলোতে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে প্রশ্ন ওঠেছে এটা কি শুধুই আলোচনা নাকি কেন্দ্রীয় বিএনপি এ ধরণের কোনো উদ্যোগ বা আভাস দিয়েছে? যদিও মহানগর বিএনপির বর্তমান আহ্বায়ক কমিটি প্রায় সাড়ে ৩ বছর পার করেছে। এই কমিটির নেতৃত্বে ২০২৪ সালের নির্বাচনের পূর্বে আন্দোলন ও বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে ভুমিকা রেখেছেন নেতাকর্মীরা।
স্থানীয় নেতাকর্মীরা বলছেন, আন্দোলনের ফলস্বরুপ মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন খানকে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক পদে বসিয়েছে বিএনপির সরকার। হয়তো নাসিকের নির্বাচনে মেয়র পদে তাকেই সমর্থন দিতে পারে বিএনপি। সেক্ষেত্রে মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপুকে রাষ্ট্রীয় পদে এখন পর্যন্ত দেখা যায়নি। অনেকে মনে করছেন নতুন কমিটি হলে হয়তো টিপুকে নেতৃত্বে রেখেই কমিটি হতে পারে। আবার কেউ কেউ বলছেন- এই কমিটি ভেঙ্গে গেলে নতুন নেতৃত্ব আসতে পারে। একেকজনের একক মতামত দিচ্ছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা।
অনলাইন বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে বিএনপির নেতাকর্মীরা বিভিন্ন নেতার পক্ষে মতামত দিচ্ছেন। বিভিন্ন স্থানে আলোচনায় স্থানীয় নেতাকর্মীরা যার যার পছন্দের নেতাকে নেতৃত্বে দেখতে চান। নেতাকর্মীদের অনেকেই সাখাওয়াতকে বহাল রাখার পক্ষে। আবার কেউ কেউ বলছেন এমপি আবুল কালামের হাতে পূনরায় নেতৃত্ব তুলে দেয়া হোক। টিপুর পক্ষেও আছেন কেউ কেউ। তবে নতুন নেতৃত্বের প্রতিও অনেকের পক্ষে মতামত দিচ্ছেন। তবে বিএনপির কেন্দ্রীয় একাধিক সূত্র বলছে, সারাদেশের ৪০ এর বেশি জেলা বিএনপির কমিটি অচিরেই ভেঙ্গে দিতে পারে বিএনপি। সেক্ষেত্রে বেশকটি মহানগর বিএনপির কমিটিরও নতুন কমিটি হতে পারে।
স্থানীয় নেতাকর্মী ও গণমাধ্যমগুলোতে মহানগর বিএনপির নেতৃত্বের আলোচনায় আছেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের এমপি ও মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি আবুল কালাম, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ও নাসিকের প্রশাসক সাখাওয়াত হোসেন খান, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপু, মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামাল, সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সবুর খান সেন্টু, মহানগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জাকির হোসেন, সরকার হুমায়ুন কবির, শাহ ফতেহ মোহাম্মদ রেজা রিপন, আবুল কাউসার আশা, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আতাউর রহমান মুকুল, মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ, সদর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এইচএম আনোয়ার প্রধান, মহানগর বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শওকত হাশেম শকু, মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক মনিরুল ইসলাম সজল ও বন্দর থানা বিএনপির সভাপতি শাহেন শাহ আহমেদের মত নেতারা।
