যারা বরাদ্দকৃত দোকান বিক্রি করেছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা: সাখাওয়াত

সান নারায়ণগঞ্জ

নারায়ণগঞ্জ নগরীর চাষাঢ়াস্থ হকার মাকের্ট পরিদর্শন করেছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান। ৩০ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তিনি হঠাৎ এ মাকের্টটি পরিদর্শনে আসেন। হকার মার্কেটের দোকানদারদের নানা অনিয়ম তিনি প্রত্যক্ষ করেছেন এবং এই অনিয়মের কারনে হকার মার্কেট ভেঙ্গে দিয়ে বহুতল ভবন নির্মাণ করে সেখানে হকারদের বাছাই করে পূণর্বাসনের ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানিয়েছেন তিনি।

হকার্স মার্কেট পরিদর্শন করতে এসে তিনি মার্কেটের একাধিক দোকানিদের সাথে কথা বলেন। তিনি জানতে চান, এখানে যারা দোকানি রয়েছেন তারা হকার কি না? কিন্তু উত্তরে সবাই বলেন, না। আমরা সবাই ভাড়া নিয়ে দোকান চালাচ্ছি।

দোকানিদের এ কথা শুনে রীতিমত অবাক হন নাসিক প্রশাসক সাখাওয়াত। তিনি দোকানিদের বলেন, “এখানে আপনারা থাকতে পারবেন না। সিটি কর্পোরেশন হকারদের পুর্নবাসনের জন্য এ মার্কেট করে দিয়েছে। সেই হকাররাই যদি না থাকে তাহলে এ মার্কেটই থাকবে না।”

এদিকে পরিদর্শন শেষে নাসিক প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান গণমাধ্যমকে বলেন, “আপনারা সবকিছুই পর্যবেক্ষণ করলেন। এই জায়গায় ৬৭২ জন হকারকে পুনর্বাসন করা হয়েছিল। আমি আজকে সরেজমিনে তদন্ত করে দেখলাম যে, যেসব হকাররা এখানে বরাদ্দ পেয়েছিল, তাদের মধ্যে একজনও এখন এখানে নেই। তারা কেউ দোকান বিক্রি করেছে, কেউ আবার ভাড়া দিয়ে ফুটপাতে গিয়ে ব্যবসা করছে।”

তিনি বলেন, “এটা তো সিটি কর্পোরেশনের জায়গা। তারা এটা বিক্রি করতে পারে না এবং ভাড়াও দিতে পারে না। আপনারা লক্ষ্য করেছেন যে, ৬ জনের দোকান একত্রিত করে বড় দোকান তৈরি করে তারা ব্যবসা চালাচ্ছে। আমি মনে করি এটা অন্যায়। যেসব হকাররা বরাদ্দ পাওয়ার পরও আবার ফুটপাতে বসার জন্য আন্দোলন করছে, আমি তাদের এই অবৈধ দোকানগুলো ভেঙে দিব এবং প্রকৃত হকারদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করব।”

এক প্রশ্নের জবাবে অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত বলেন, “যারা বরাদ্দ পাওয়ার পরও দোকান বিক্রি করে দিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা সমস্ত নথিপত্র এবং আইনগত দিক বিবেচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করব।”