গভীর ষড়যন্ত্রের ফাঁদে কৃষকদলের সেক্রেটারি ফয়সাল!

সান নারায়ণগঞ্জ

গভীর ষড়যন্ত্র ও চক্রান্তের ফাঁদে পড়েছেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক সাইফুদ্দীন মাহামুদ ফয়সাল মোল্লা। বিএনপির আভ্যন্তরীণ দ্বন্ধকে কাজে লাগিয়ে ফয়সালের রাজনীতিকে বিতর্কিত ও কোণঠাসা করার লক্ষ্যে এই চক্রান্তে জড়িত সিদ্ধিরগঞ্জ পদ্মা ডিপোর দুটি তেল চোর সিন্ডিকেট। এই তেল চোর সিন্ডিকেট পুলিশ প্রশাসনসহ সরকারি দলের প্রভাবশালীদের ম্যানেজ করে ফয়সালের নামে মিথ্যা চাঁদা দাবির ঘটনা সাঁজিয়ে অপকৌশলে থানায় ডেকে নিয়ে ডিবি পুলিশ দিয়ে ধরিয়ে দেয় থানা পুলিশ। যার পেছনে তেল চোর সিন্ডিকেটের বিশাল চক্র কাজ করেছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় কৃষকদলের নেতাকর্মীরা।

নেতাকর্মীরা বলছেন, বিএনপির রাজনীতিতে একজন পরিচ্ছন্ন রাজপথের নেতাকে জলাঞ্জলী দিয়েছে বিএনপি। বিএনপির যেসব সিনিয়র নেতাদের পেছনে ফয়সাল রাজনীতি করেছেন এই ঘটনায় তারাও চুপসে রয়েছেন রহস্যজনক কারনে। কোনো ধরণের তদন্ত বা শোকজ ছাড়াই ফয়সালকে কৃষকদল থেকে বহিষ্কার করে দেয়া হয়েছে।

নেতাকর্মীদের দাবি- নারায়ণগঞ্জ বিএনপির রাজনীতিতে জেলা ও মহানগরীতে যারা প্রভাবশালী নেতা তাদেরকে ম্যানেজ করে পদ্মা ডিপোর অসাধু কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন যাবত তেল চুরি করে শত শত কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন। এমন অবস্থায় তেল চোর সিন্ডিকেটদের বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেন ফয়সাল মোল্লা- এমন আশংকা থেকেই ফয়সালকে মিথ্যা চাঁদা দাবির মামলায় ফাঁসিয়ে দেয়া হলো।

নেতাকর্মীরা বলছেন, গত ২২ সেপ্টেম্বর ফয়সাল মোল্লাকে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে বসিয়ে রেখে ডিবি পুলিশের হাতে পরবর্তীতে তুলে দেয়া হয়। পরবর্তীতে জানানো হয় তার বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগ রয়েছে। নেতাকর্মীরা আরো বলছেন, পদ্মা ডিপোতে দীর্ঘদিন যাবত তেল চোর সিন্ডিকেট সক্রিয়ভাবে শত কোটি টাকার তেল চুরি করে আসছিল। আওয়ামীলীগ সরকার আমলে যারা এখানে চোরাই তেলের ব্যবসা করে আসছিল তারাই বর্তমান সরকারের প্রভাবশালীদের ম্যানেজ করে তেল চুরির ব্যবসা করে আসছেন। ওই এলাকায় ফয়সাল মোল্লা বিএনপির একজন সক্রিয় কর্মী। তিনি চোর সিন্ডিকেট ও প্রভাবশালীদের বাধা হতে পারে বলে এমন শঙ্কা থেকে তাকে ফাঁসানো হলো।