সিদ্ধিরগঞ্জে বিএনপি নেতাকে হত্যার পরিকল্পনা!

সান নারায়ণগঞ্জ

নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জে বিএনপির এক নেতাকে হত্যার পরিকল্পনার অভিযোগ ওঠেছে বিএনপির আরো বেশকজন নেতার বিরুদ্ধে। ওই নেতাদের বিরুদ্ধে হত্যার পরিকল্পনার অভিযোগ তুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভিডিও বার্তা দিয়েছেন বিএনপি নেতা সামসুউদ্দীন শেখ। তিনি নিজেকে জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও ৮নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি পরিচয় দিয়েছেন।

তিনি অভিযোগ তুলেছেন- মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি ও কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সদস্য মমতাজ উদ্দীন মন্তু, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সহ-সভাপতি ডিএইচ বাবুল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম স্বাধীন, মহানগর যুবদলের সিনিয়র ‍যুগ্ম আহ্বায়ক সাগর প্রধান, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক ডালিম প্রধান, বিএনপি নেতা মাসুম প্রধান ও সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে। তিনি ওই ভিডিও বার্তায় জেলা বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দসহ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন।

১২ সেপ্টেম্বর শনিবার বিকেলে সামসুউদ্দীন শেখ ভিডিও বার্তায় জানায়, উল্লেখিত নেতারা দীর্ঘদিন পূর্ব থেকে হত্যার পরিকল্পনা করে আসছেন। বিষয়টি তিনি ওসিকে জানিয়েছেন। জিডি করতেও চেয়েছিলেন। কিন্তু জিডি নেননি। তিনি বলেন, তারা আমাকে মেরে ফেলতে চায়, মেরে ফেলবেন, এই বিষয়ে এসপি ও ডিসি বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।

তাকে মেরে ফেলার কারন হিসেবে তিনি দাবি করেন, কারন আমি ৮নং ওয়ার্ড বিএনপি ও এর অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের পক্ষে কথা বলছিলাম। ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকার পতনের পর ৮ মাস সকলে মিলে মিশে ব্যবসা বানিজ্য করেছি। সেই সুবাধে র‌্যাংস সুপারের মধ্যে, মোহাদ্দীয়া গ্রুপের মধ্যে মন্তু, সাগর প্রধান, মাসুমকে দায়িত্ব দিয়েছি যে, আমাদের সবাইকে লভ্যাংশ দিবেন, আমরা সবাই অংশীদার থাকবো। জয় অটোর মধ্যে ডিএইচ বাবুল, জাহাঙ্গীর আলম স্বাধীনকে দায়িত্ব দেই। এভাবে অনেকগুলো মিল কারখানায় তাদেরকে দায়িত্ব দিয়ে আসছি। মিল কারখানা থেকে মাল নামাবেন আমরা মিলেমিশে ব্যবসা করবো। কিন্তু এইসব ব্যবসা বানিজ্য তারা ঠিক রাখতে পারেনি। প্রথম ৮ মাস নেতাকর্মীদের লভ্যাংশ দিয়েছিল। পরবর্তীতে আর দেয়নি। প্রায় ৩ কোটি টাকা তাদের কাছ থেকে আমরা পাবো। কিন্তু তারা দেয়নি। এই বিষয় নিয়ে আন্দোলন সংগ্রাম করতেছি। আমাকে হটাত করে তারা বিভিন্ন মামলায় জড়ানোর চেষ্টা করে আসছে। একাধিকবার হত্যাচেষ্টা করেছে। আমি মারা গেলে তারা দায়ী থাকবে। তারা আমাকে মিথ্যাভাবে হত্যা মামলায় জড়িয়েছে।