জনপ্রিয়তা ঠেকাতে শহিদুলের বিরুদ্ধে অনলাইনে ও ফেসবুক ফেক আইডিতে প্রপাগাণ্ডা ও অপপ্রচার

সান নারায়ণগঞ্জ

আগামী নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে সিদ্ধিরগঞ্জের ১নং ওয়ার্ড থেকে সম্ভাব্য কাউন্সিলর প্রার্থী মহানগর যুবদলের অন্যতম সদস্য শহিদুল ইসলাম। রাজনৈতিক পরিচয়ের বাহিরেও শহিদুল ইসলাম একজন আপাদমস্তক সমাজসেবক ও পরোপকারী ব্যক্তি। সেই করোনাকাল থেকে গরীব দুস্থ অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে আসছেন। যেকোনো ধর্মীয় উৎসবে গরীব অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ান। মানুষের দুঃখ দুর্দশায় বিপদে আপদে পাশে থাকেন তিনি। এলাকার ড্রেন ব্যবস্থাপনা, জলাবদ্দতা নিরসনেও তিনি এগিয়ে আসেন। শুধু তাই নয়, সমাজের ভালো কাজেও এগিয়ে আসেন সবার আগে। মাদক সন্ত্রাস ভুমিদস্যু চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে সামনে থেকে রুখে দাঁড়ান তিনি। এতেই অপকর্মকারীদের মাথা নষ্ট হয়ে পড়েছে।

একদিকে এসব ভালো কাজে যখন সমাজে শহিদুল ইসলামের জনপ্রিয়তা দিনকে দিন বেড়েছে এতে তার প্রতিপক্ষ তার পেছনে লেগেছে। মাদক সন্ত্রাস ভূমিদস্যূ চাঁদাবাজ শ্রেণীও শহিদুল ইসলামের প্রতিপক্ষের সঙ্গে একজোট হয়ে শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রপাগান্ডা, মিথ্যাচার ও অপপ্রচার চালিয়ে আসছে। সেজন্য তারা বেছে নিয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেক আইডি খুলে শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে মিথ্যা মনগড়া বানোয়াট লেখালেখী করে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছে।একই সঙ্গে কিছু অখ্যাত অনলাইন ও ফেসবুক পেজ খুলে শহিদুল ইসলামের প্রতিপক্ষের অর্থে প্রভাবিত হয়ে অপপ্রচারের লিপ্ত হয়েছে।

রাজনীতির মাঠে ও সমাজকর্মী সমাজ সেবক হিসেবে একজন পরিচ্ছন্ন ব্যক্তি শহিদুল ইসলাম। শহিদুল ইসলামের প্রতিপক্ষ ও অপকর্মকারীরা ভীতি হয়ে পড়েছে এ কারনে শহিদুল ইসলাম আগামী নির্বাচনে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়ে গেলে ১নং ওয়ার্ডের কোথাও মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি সন্ত্রাসী ভুমিদস্যূতা চলবে না। এটি বুঝতে পেরে এখনি শহিদুলকে ঠেকানোর মিশনে নেমেছেন তার প্রতিপক্ষ ও অপকর্মকারীরা একজোট হয়ে। স্থানীয়রা জানান, সম্প্রতি সিদ্ধিরগঞ্জ পুল এলাকায় রাস্তার পাশে দোকান বসিয়ে চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেন শহিদুল ইসলাম। এ বিষয়টি চাঁদাবাজ শ্রেণি মেনে নিতে পারেনি।

যদিও এ বিষয়ে শহিদুল ইসলাম স্থানীয় গণমাধ্যমকে জানান, সিদ্ধিরগঞ্জ পুল মোড়ে বেশ কিছুদিন ধরে একটি চিহ্নিত চক্র সাধারণ ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদা উত্তোলন করে আসছিল। তিনি এসব চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে শক্ত অবস্থান নেন। এরপর থেকেই ক্ষুব্ধ হয়ে একটি কুচক্রী মহল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ভুয়া (ফেক) ফেসবুক আইডি ব্যবহার করে তার বিরুদ্ধে লাগাতার মিথ্যা অপপ্রচার ও কুৎসা রটাচ্ছে।

তিনি আরো জানান, যেদিন থেকে আমি সিদ্ধিরগঞ্জ পুলের কাঁচাবাজারসহ চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কথা বলা শুরু করেছি, ঠিক সেদিন থেকেই ভুয়া আইডি দিয়ে আমাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা চলছে। একটি গোষ্ঠী অন্যায়ের বিরোধিতা না করে উল্টো অপকর্মকারীদের সমর্থন জোগাচ্ছে—যা অত্যন্ত দুঃখজনক।

তিনি জানান, এলাকার শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সাধারণ মানুষকে চাঁদাবাজির হাত থেকে রক্ষা করতেই তিনি এই অবস্থান নিয়েছেন। কোনো ধরনের অপপ্রচার চালিয়ে তাকে এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই থেকে পিছপা করা যাবে না।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো এসব অপপ্রচারে কান না দেওয়ার জন্য সর্বসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি ঘটনার সত্যতা যাচাই করে সঠিক ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করার জন্য গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে বিনীত অনুরোধ জানিয়েছেন যুবদলের এই ত্যাগী নেতা।

এর আগে শহিদুল ইসলাম তার ফেসবুকে লিখেছেন, আমি শহিদুল ইসলাম যেই দিন থেকে সিদ্ধিরগঞ্জ পুল এর কাঁচা বাজারের চাঁদাবাজিদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিলাম এবং আলামিননগর মুজিববাগ রহমতনগর এর চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিলাম, সেই দিন থেকেই ফেইক আইডি দিয়ে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে কিছু নিম্ন পরিবারের লোকেরা। দুঃখজনক, ভালো কাজের পক্ষে না থেকে খারাপ কাজকে সমর্থন করলে হাশরের ময়দানে পিছন থেকে আপনাদেরকে ধরবো ইনশাল্লাহ। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করার জন্য অনুরোধ রইলো।