জামপুর ইউপি নির্বাচনে জনগণ ও রাজপথের কর্মীদের প্রথম পছন্দ আমির হোসেন
সান নারায়ণগঞ্জ
আগামী সেপ্টেম্বর/অক্টোবর মাস থেকেই স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার। সেই সাথে ইউনিয়ন পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীরাও প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন। কেউ কেউ চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে নিজেকে ঘোষণা না করলেও স্থানীয় নেতাকর্মী, সাধারণ জনগণের মাঝে অনেক প্রার্থীর নাম আলোচনায় আসছে। তেমনি একজন পরিচ্ছন্ন রাজনীতিক আমির হোসেন। তিনি সোনারগাঁও উপজেলার জামপুর ইউনিয়ন পরিষদের আগামী নির্বাচনে নেতাকর্মী ও ভোটারদের মাঝে আলোচনায় আছেন সবার আগে। বিশেষ করে বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের সাড়ে ১৫ বছরে যেসব নেতাকর্মীরা রাজপথে আন্দোলন সংগ্রাম করতে গিয়ে আমির হোসেনকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতে দেখেছেন সেইসব নেতাকর্মীদের প্রথম পছন্দ এই আমির হোসেন। ব্যানার হাতে অকুণ্ঠচিত্তে রাজপথে পুলিশের বন্দুকের নলের সামনে দাঁড়িয়ে জিয়া পরিবার ও বিএনপির পক্ষে গণতন্ত্রের পক্ষে শ্লোগান তুলতেন এই সেই আমির হোসেন।
স্থানীয়দের সূত্রে জানাগেছে, আমির হোসেন জামপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করে আসছেন স্বৈরাচারী সরকার আমল থেকেই। সেই আমলেই উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক পদে দায়িত্ব পালন করছেন আজোবধি। কঠিন অবস্থাতেই দায়িত্ব নেন উপজেলা জাসাসের। পুরো জেলার মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী সংগঠনে রূপ দেন সোনারগাঁও উপজেলা জাসাসকে এই আমির হোসেন। জাসাসের উপজেলার সভাপতি পদে দায়িত্ব নিয়ে রাজপথে জাসাসের ব্যানারে আন্দোলন সংগ্রাম করে আসা এখন পর্যন্ত তিনি সেই দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। এলাকায় একজন সহজ সরল নিরহংকারী ব্যক্তি হিসেবে সুপরিচিত আমির হোসেন। মানুষের উপকারে এগিয়ে আসেন তিনি। জনগণের পক্ষে ভালো কাজে থাকেন তিনি। এ কারনে দলের সাচ্চা নেতাকর্মীরা চান আমির হোসেনের মতই একজন সাচ্চা ও রাজপথের নেতাকেই যেনো বিএনপি থেকে মনোনিত কিংবা সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করে জামপুর ইউনিয়নবাসী ও রাজপথের নেতাকর্মীদের হাতে তুলে দিবে বিএনপি। বিএনপির এমন সঠিক সিদ্ধান্ত হলে জামপুর ইউনিয়নবাসী ও নেতাকর্মীরা তাকে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী করে বিএনপিকে বিজয় উপহার দিবে।
আমির হোসেনের পক্ষে বিএনপির সমর্থন প্রত্যাশার বিষয়ে স্থানীয় নেতাকর্মীরা বলছেন, দল যদি রাজপথে আন্দোলন সংগ্রাম, হামলা মামলা জেল জুলুম নির্যাতনকে বিবেচনায় নেয় তাহলে আমির হোসেনই চেয়ারম্যান পদে দলের প্রার্থী হিসেবে প্রাপ্য ও যোগ্য। এখন কিছু সুবিধাভোগী ও হাইব্রিডরা নিজেদের সুবিধার্থে কখনো জাতীয়পার্টির সঙ্গে সখ্যতা রাখা, কখনো আওয়ামীলীগের সঙ্গে সখ্যতা রাখতে দেখতে পাওয়া ব্যক্তি কিংবা হাইব্রিডদের নিয়ে স্বপ্ন দেখছেন। দলকে এসব বিষয়গুলো বিবেচনা করতে হবে। কারন এরা বসন্তের কোকিল। যখন যে দল ক্ষমতায়, তখন তারা সে দলের লোক! এ ধরণের কোনো ব্যক্তিকে জামপুর ইউনিয়নবাসী চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায়না। জামপুর ইউনিয়নের জনগণের মোটিভ বুঝে বিএনপিকে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ত্যাগী নেতাকর্মীরা দলের প্রাণ। ত্যাগীদের মুল্যায়ণ ছিনতাই হয়ে গেলে দল ভবিষতে ক্ষতিগ্রস্থ হবে। সুতরাং আমির হোসেনের মত সাচ্চা ও ত্যাগীদের মুল্যায়ণ করা হলে দল শক্তিশালী হবে।
