সজীব সম্পর্কে কেন্দ্রীয় যুবদল সভাপতি মুন্না: অভিযোগ যথাযথ হয়নি তাই ছেড়ে দিয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট, সান নারায়ণগঞ্জ

নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খাইরুল ইসলাম সজীবকে তাৎক্ষণিক বহিষ্কারের বিষয়ে কথা বলেছেন কেন্দ্রীয় যুবদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদ্বয়। তারা গণমাধ্যমে এ বিষয়ে কথা বলেছেন, যেখানে সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না বলেছেন, “তার বিরুদ্ধে অভিযোগ যথাযথ হয়নি, তাই ছেড়ে দিয়েছে।” সভাপতি এও বলেছেন, “সে যদি আবেদন করে তাহলে অবশ্যই দল সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করবে।” সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন বলেছেন, “অভিযোগ উঠার সাথে সাথেই তাকে বহিষ্কার করে দেওয়া হয়েছে তদন্তের স্বার্থে।”

এদিকে কেন্দ্রীয় একাধিক সূত্র বলছে, বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার ও দলীয় পদ ফিরে পেতে পারেন নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নানের পুত্র ও জেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক খাইরুল ইসলাম সজীব। কেন্দ্রীয় যুবদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের ভাষ্যেও এমন সম্ভাবনা দেখছেন নারায়ণগঞ্জের নেতাকর্মীরা। যদিও নেতাকর্মীরা শুরু থেকেই সজীবের বিরুদ্ধে হওয়া গভীর ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদ করছেন এবং সজীবের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবি তুলছেন।

৮ জুলাই বুধবার জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না সাংবাদিক সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নে বলেন, সজীবের বিরুদ্ধে দলীয়ভাবে অভ্যন্তরীণ তদন্ত চলছে। তদন্তে যদি নির্দোষ প্রমাণ হয় এবং সে (সজীব) যদি আবেদন করে তাহলে অবশ্যই দল সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করবে।

যুবদল সভাপতি আরো বলেন, এখানে রাষ্ট্রের দৃষ্টি ভঙ্গি পরিস্কার। কেউ এমপি পুত্র হোক বা যেই হোক, কেউই জবাবদিহিতার উর্ধ্বে নয়।

তিনি বলেন, প্রশাসন যাকেই প্রয়োজন মনে করবে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে অথবা আইনের আওতায় নিবে। প্রশাসন মনে করেছে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। অভিযোগ যথাযথ হয়নি তাই ছেড়ে দিয়েছে। এখন কেউ যদি অভিযোগ না করে, তাহলে তো তাকে আটকে রাখতে পারবেনা।

এসময় যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন বলেন, অভিযোগ উঠার সাথে সাথেই তাকে বহিষ্কার করে দেওয়া হয়েছে তদন্তের স্বার্থে। দলের ইমেজ যেন ক্ষুন্ন না হয় সেজন্য দল থেকে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য যে, গত ২১ জুন রবিবার তথাকথিত বায়ুবীয় কিছু অভিযোগের বিষয়ে যুবদল নেতা খাইরুল ইসলাম সজীবকে নিয়ে কয়েক ঘন্টার মধ্যে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ এবং পরবর্তীতে ঢাকা মহানগর ডিবি পুলিশ কয়েক দফা গভীর তদন্ত ও অনুসন্ধান করে সত্যতা না পেয়ে তাকে স্বসম্মানে তার পরিবারের কাছে ছেড়ে দেয় পুলিশ। কিন্তু তদন্ত ও অনুসন্ধানের মাঝেই কেন্দ্রীয় যুবদল তাকে বহিষ্কার ঘোষণা করলে বিস্ময়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েন নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের নেতাকর্মীরা। সজীব নির্দোষ প্রমানিত হওয়ায় তার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবি তুলেছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের নেতাকর্মীরা।