স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে জেনারেল ওসমানীর কীর্তিগাথা চির অম্লান: হাসিনা রহমান সিমু
সান নারায়ণগঞ্জ
১৭ ফেব্রুয়ারী বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রধান সেনাপতি বঙ্গবীর জেনারেল এম এ জি ওসমানীর ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বঙ্গবীর ওসমানী স্মৃতি পরিষদ নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যোগে এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
স্থানীয় কলেজ রোডের টাইল গার্ডেনে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নারায়ণগঞ্জ জেলা বঙ্গবীর ওসমানী স্মৃতি পরিষদের সভাপতি হাসিনা রহমান সিমু।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শাহরিয়ার মো: মারুফের সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে আলোচনা ও দোয়া মাহফিলে অংশগ্রহণ করেন সংগঠনটির সহ-সভাপতি জনাব আবদুল কাইয়ুম আল আমিন, এনামুল হক প্রিন্স, সহকারী সাধারণ সম্পাদক বাবু শ্যামল দত্ত, সাংগঠনিক সম্পাদক খোকন গাজী ও আবুল হোসেন সহ সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। আলোচকবৃন্দ জেনারেল ওসমানীর ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকীতে তাকে গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে বলেন, আমরা বাংলা মায়ের এই বিপ্লবী সন্তানের অসাধারণ মেধা, যোগ্যতা, দেশপ্রেম, দূরদর্শী সমরকৌশলের উপর ভর করে ১৯৭১ সালে শক্তিশালী পাকিস্তানি শত্রুবাহিনীকে পরাস্ত করেছিলাম। যার ফলশ্রুতিতে আমাদের মাতৃভূমি আজ স্বাধীন।
সভায় সভাপতির বক্তব্যে হাসিনা রহমান সিমু বলেন, যুদ্ধবিদ্যার সুনিপুণ কারিগর, অসাধারণ সাহসী, তেজস্বী ও নির্ভীক সেনানায়ক জেনারেল ওসমানীর সুষ্ঠু পরিকল্পনা ও সুদক্ষ নেতৃত্বে দ্রুতগতিতে মুক্তিযুদ্ধ বেগবান হয়েছিলো। তিনি বাংলাদেশকে এগারোটা সেক্টরে ভাগ করে গেরিলা যুদ্ধ শুরু করেন। তার সুদক্ষ সামরিক নেতৃত্বে ৯ মাসেরও কম সময়ে আমাদের বিস্ময়কর বিজয় অর্জিত হয়। তিনি বলেন স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে জেনারেল ওসমানীর কীর্তিগাথা চির অম্লান। হাসিনা রহমান সিমু পাঠ্যপুস্তকে জেনারেল ওসমানীর জিবনী অন্তর্ভুক্ত করার জন্যে বাংলাদেশ সরকারের কাছে জোর দাবী জানান।
এখানে উল্লেখ্য যে, ১৯৮৪ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি জাতির এই কৃতি সন্তান ইন্তেকাল করেন। অনুষ্ঠানে তার বিদেহী আত্মার মঙ্গল কামনা করে বিশেষ প্রার্থনা করা হয়।
