জনপ্রিয়তায় দশ প্রার্থীকে পেছনে ফেলেছেন মান্নান: জয়ের হাতছানি

সান নারায়ণগঞ্জ

নারায়ণগঞ্জ-৩(সোনারগাঁ-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১১জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন। যেখানে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নান জনপ্রিয়তায় সবাইকে পেছনে ফেলে জয়ের পথে এগিয়ে যাচ্ছেন। মান্নানের ধানের শীষ প্রতীকের সঙ্গে নূন্যতম লড়াইয়ে থাকার সম্ভাবনা দেখছেনা কোনো প্রার্থীকেই। তবে তুলনামুলক দূর্বল প্রার্থী হলেও ভোটের ক্ষেত্রে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকতে পারে জামায়তে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ইকবাল হোসেন ভূঁইয়া।

এমনটাই দাবি করে স্থানীয়রা আরো বলছেন, ভোটের মাঠে জনপ্রিয়তা কিংবা প্রচার প্রচারণায় মান্নানের দ্বারে কাছেও নাই স্বতন্ত্র দুই প্রার্থী বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী রেজাউল করিম ও ফুটবল প্রতীকের প্রার্থী মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দীন। যদিও কার্যত নির্বাচনে বহাল থাকলেও নির্বাচনী প্রচার প্রচারণার ক্ষেত্রে রেজাউল করিম মাঠ ছেড়েছেন অনেক আগেই। লড়াই করার চেষ্টা করেও কুলিয়ে ওঠতে পারছেনা ফুটবল প্রতীকের প্রার্থীর গিয়াসউদ্দীন। কারন বিএনপি থেকে বহিষ্কারের ভয়ে তাদের অনুগামীরা বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। দুএকজন তাদের পক্ষে থাকলেও তারা বহিষ্কৃত হয়ে বেশ বেকায়দায় রয়েছেন স্থানীয়ভাবে। ফলে সেভাবে ফুটবলের পক্ষে প্রচারণা চালাতেও পারছেন না।

অন্যদিকে পুরো সোনারগাঁও ও সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকায় ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মান্নানের পক্ষে রীতিমত গণজোয়ার সৃষ্টি করেছেন দুটি থানা/উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা। প্রচার প্রচারণায় অলিগলিসহ ঘরে ঘরে গিয়ে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ভোট প্রার্থনা করছেন নেতাকর্মীরা। মান অভিমান ভুলে গিয়ে বিএনপির সকল নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করছেন। এ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশি জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মামুন মাহামুদ ও আল মুজাহিদ মল্লিক নিজ নিজ নেতাকর্মীদের নিয়ে ধানের শীষকে বিজয়ী করতে প্রচার প্রচারণায় ঝাপিয়ে পড়েছেন।

এই আসন থেকে এ ছাড়াও প্রতিদ্বন্ধিতায় আছেন গণসংহতি আন্দোলনের মাথাল প্রতীকের প্রার্থী অঞ্জন দাস, খেলাফত আন্দোলনের বটগাছ প্রতীকের প্রার্থী আতিকুর রহমান নান্নু মুন্সী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী গোলাম মসীহ, জনতার দলের কলম প্রতীকের প্রার্থী আবদুল করিম মুন্সী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের রিক্সা প্রতীকের প্রার্থী মো. শাহজাহান, আমার বাংলাদেশ পার্টির ঈগল প্রতীকের প্রার্থী আরিফুল ইসলাম ও গণঅধিকার পরিষদের ট্রাক প্রতীকের প্রার্থী মো. ওয়াহিদুর রহমান মিল্কী ভোটের মাঠে থাকলেও ভোটারদের মাঝে জোরালোভাবে আলোচনায় আসতে পারেননি। যে কারনে তাদের জয়ের কোনো সম্ভাবনা দেখছেন না ভোটাররা। এদের মধ্যে রিক্সা প্রতীকের প্রার্থীকে ৭ ফেব্রুয়ারী রাতে বসিয়ে দিয়েছেন তার দল।