তৈমূরের বিরুদ্ধে অভিযোগ দেয়ার কারনেই নুরুন্নাহার মাইনাস!

সান নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকম:

নারায়ণগঞ্জ জেলা মহিলা দলের আহ্বায়ক পদ থেকে মাইনাস হয়েছেন নুরুন্নাহার বেগম। একই সঙ্গে মহানগর মহিলা দলের আহ্বায়ক রাশিদা জামালকেও মাইনাস করা হয়েছে। সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর মহিলা দলের কমিটি গঠন করা হয়েছে, যেখানে রাজপথের এই দুই নেত্রীকে মহিলা দলের কমিটিতে রাখা হয়নি। দীর্ঘদিন মহিলা দলকে সংগঠিত করেছেন নুরুন্নাহার বেগম। কিন্তু সেই নুরুন্নাহারকে বাদ দেয়ার বিষয়ে মহিলা দলের নেত্রীরা বলছেন- জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকারের বিরুদ্ধে মৌখিকভাবে অভিযোগ দেয়ার ফলেই তাকে মাইনাস করা হয়েছে।

ঘটনা সূত্রে জানাগেছে, ২০১৬ সালে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ছিলেন মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান। ওই নির্বাচনে অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার ও তার অনুগামী লোকজন ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীর বিপক্ষে কাজ করেছিলো অভিযোগ ওঠেছিল। ওই নির্বাচনে মহিলা দলের নেত্রী নুরুন্নাহার বেগমকে ধানের শীষ প্রতীকের বিরোধীতা করে নির্বাচন করার নির্দেশ দেন তৈমূর আলম খন্দকার।

তৈমূর আলম খন্দকারের এমন নির্দেশনাটি ওই নির্বাচন পরিচালনার সমন্বয়ক বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের কাছে মৌখিকভাবে অভিযোগ দেন নুরুন্নাহার বেগম। এ বিষয়ে তৈমূরের প্রতি গয়েশ্বর ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং নুরুন্নাহার বেগমের অভিযোগের বিষয়টি জানিয়ে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করার নির্দেশ দেন তিনি।

ওই ঘটনার পর থেকে নুরুন্নাহার বেগমের প্র্রতি ক্ষুব্দ হন তৈমূর আলম খন্দকার। তারপর থেকে মহিলা দলের বর্তমান সভাপতি রহিমা শরীফ মায়াকে পূর্বের কমিটিতে আহ্বায়ক করার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু সেই কমিটিতেও আহ্বায়ক হোন নুরুন্নাহার বেগম। তবে সর্বশেষ কমিটিতে নুরুন্নাহার বেগমকে মাইনাস করে রহিমা শরীফ মায়াকে সভাপতি পদে অধিষ্ট করানো হয়।