ফতুল্লায় বিএনপির কমিটি গঠনে গিয়াস-শাহআলমের লড়াইয়ে বিভক্ত তৈমূর-মামুন!

সান নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকম:

নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আওতাধীন ফতুল্লা থানা বিএনপির কমিটি গঠন নিয়ে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার ও সদস্য সচিব অধ্যাপক মামুন মাহামুদ বিভক্ত হয়ে পড়েছেন।  এর পেছনের কারন হিসেবে জানাগেছে বিএনপির সাবেক এমপি মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দীনের কাছে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি গঠনের আগেই তৈমূর আলম খন্দকারের সঙ্গে প্রতিশ্রুতির সৃষ্টি হয়।  যে কারনে জেলা বিএনপির কমিটি গঠনের পূর্বে তৈমূর আলম যে কটি মিটিং করেছিলেন তার সবগুলোতেই গিয়াসউদ্দীনের অনুগামী নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

অন্যদিকে বিএনপির কমিটির সদস্য শিল্পপতি মুহাম্মদ শাহআলম যখন জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও ফতুল্লা থানা বিএনপির সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন তার এক দিনের মাথায় শাহআলমের অনুগামীদের দিয়ে কমিটি গঠন করে দেন অধ্যাপক মামুন মাহামুদ।  একইভাবে এবার তৈমূর আলম চাচ্ছেন গিয়াসের লোকজনের হাতে ফতুল্লা থানা বিএনপির কমিটি তুলে দিতে, আবার মামুন মাহামুদ চাচ্ছেন শাহআলমের হাতে কমিটি তুলে দিতে।

শাহআলমের বিষয়টি অনেকেই ঘোরের মধ্যে রেখে দিয়েছেন শাহআলম নিজেই।  শাহআলম দল ত্যাগ করেননি।  তিনি এখনও কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য বহাল রয়েছেন।  আর সে কারনেই শাহআলমের অনুগামী বিশ্বস্থ আবুল কালাম আজাদ বিশ্বাসকে আহ্বায়ক ও নজরুল ইসলাম পান্না মোল্লাকে সদস্য সচিব করে রাতের আধারে মামুন মাহামুদ কমিটি গঠন করেছিলেন।

এক সময় ফতুল্লা থানা বিএনপির সভাপতি ছিলেন অধ্যাপক খন্দকার মনিরুল ইসলাম।  ওই সময় শাহআলমের কারখানায় বসে ফতুল্লা থানা বিএনপির কমিটি তুলে দিয়েছিলেন তৎকালীন জেলা বিএনপির সভাপতি তৈমূর আলম খন্দকার।  সেই থেকে পুরো ফতুল্লার বিএনপির রাজনীতি শাহআলমের নিয়ন্ত্রণে।  আগের মত শাহআলমের সঙ্গে তৈমূর আলমের সেই সম্পর্ক আর নেই।  এবার নতুন কমিটি গঠনের উদ্যোগে তৈমূর আলমের পক্ষ নিয়েছে গিয়াস অনুগামী নেতারা।  তবে তৈমূর আলম খন্দকার কতক্ষন এই অবস্থানে অটুট থাকবে সেটা কমিটি গঠনের পরেই বুঝা যাবে। হয়তো শাহআলমের একটি ফোনেই ঘুরে যেতে পারে সবকিছু।