আমজনতার মাঝে বারদী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান প্রার্থী সেলিম হোসেন দিপু
সান নারায়ণগঞ্জ
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে যে, চলতি সপ্তাহে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে। চলতি বছরেই দুই ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের চেষ্টার কথা জানিয়েছেন। সে হিসেবে আগামী নভেম্বর ও ডিসেম্বর এবং পরবর্তী জানুয়ারী-ফেব্রুয়ারীর মধ্যে হতে পারে বারদী ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনের ভোট গ্রহণ। এমন পরিস্থিতিতে সোনারগাঁও উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের মধ্যে সবচেয়ে বেশি নির্বাচনী আমেজ তৈরি হয়েছে বারদী ইউনিয়নে। আর এই নির্বাচনী আমেজ তৈরি করেছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সেলিম হোসেন দিপু।
স্থানীয়রা জানান, সোনারগাঁও উপজেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্যের রাজনৈতিক বিশেষ সহকারী সেলিম হোসেন দিপু, বারদী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নির্বাচনী প্রস্তুতি নিচ্ছেন বেশ জোরেসোরে। এই সম্ভাব্য এই চেয়ারম্যান প্রার্থীর ব্যাপক কর্মকাণ্ড পুরো সোনারগাঁও জুড়ে আলোচিত চেয়ারম্যান প্রার্থী হয়ে ওঠেছেন তিনি।
বারদী ইউনিয়ন পরিষদে বিএনপির কঠিন সময়ে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিলেন সেলিম। এর আগে থেকেই এলাকার মানুষের সঙ্গে তার রয়েছে গভীর যোগাযোগ ও সখ্যতা। বারদী ইউনিয়নে বিএনপির নেতাকর্মীদের ছায়া দিয়ে আগলে রেখেছিলেন তিনি। ঠিক একইভাবে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকার পতনের পর এলাকার নানা সমস্যা সমাধানে উন্নয়নমুলক কাজ করছেন। ঝরাঝীর্ণ রাস্তাঘাট মেরামত ও সংস্কার, স্কুল কলেজ মসজিদ মাদ্রাসার নানা সমস্যা সমাধানে সবার আগে এগিয়ে আসেন সেলিম। স্থানীয় এমপির মাধ্যমে তিনি কাজগুলো করতে সহযোগীতা করছেন।
এলাকাবাসী বলছেন, একজন সাধারণ নিরহংকারী ব্যক্তিত্ব সেলিম। তিনি পরোপকারীও। নিজে কষ্টে দিনাতিপাত কাটালেও মানুষের প্রয়োজনে পাশে থাকার চেষ্টা করেন। তার ভেতরে নেই কোনো লোভ লালসা, একজন সৎ ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মানুষ তিনি। চেয়ারম্যান হওয়ার আগেই এলাকার নানা সমস্যা সমাধান ও উন্নয়নে ভুমিকা রাখছেন। সকল শ্রেণি পেশার মানুষের সঙ্গে তিনি সহজে মিশে থাকেন। দিনমজুর খেটে খাওয়া মানুষের খুব কাছাকাছি থাকেন সেলিম হোসেন দিপু। নিজেও একজন সাধারণ মানুষের মত জীবন যাপন করেন।
৯ অক্টোবর শুক্রবারও এর ব্যতিক্রম হয়নি তার। সকাল থেকেই শান্তিরবাজার এলাকায় স্থানীয় গণ্যমাণ্য ব্যক্তিদের সঙ্গে নির্বাচনী আলাপ আলোচনা সেরেছেন। দুপুরে বারদীর মসলন্দপুর পশ্চিমপাড়া জামে মসজিদে জুমআ’ নামাজ আদায় করেন। বাদ জুমআ তিনি সকল মুসুল্লীদের কাছে দোয়া ও সহযোগীতা ভালোবাসা প্রার্থনা করেন। তিনি বলেন, চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে বারদী ইউনিয়নকে বদলে দিবো। আর উন্নয়ন অব্যাহত থাকবে সব সময়। এটি চেয়ারম্যান হওয়া বা না হওয়ার বিষয় নয়। মাননীয় এমপি মহোদয়ের বারদীর সকল উন্নয়ন কাজ করছেন এবং করবেন। আমি শুধু আপনাদের বার্তাটি এমপি মহোদয়ের কাছে পৌছে দিবো।
এর আগে বাদ জুমআ মসলন্দপুর পশ্চিমপাড়া বাসীর পক্ষে সোনারগাঁও উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য তোফাজ্জল হোসেন বক্তব্যে বলেন, মাননীয় এমপি আজহারুল ইসলাম মান্নান সাহেব যেমন ত্যাগ ও পরিশ্রমের মুল্যায়ন পেয়েছেন। ঠিক তেমনি আমরা মসলন্দপুরবাসী এমপি মান্নান সাহেবের কাছে সেলিম হোসেন দিপুর ত্যাগ ও পরিশ্রমের মুল্যায়ন চাই।
নামাজ শেষে সেলিম হোসেন দিপু সকল মুসুল্লীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। তার সঙ্গে আসা নেতাকর্মীদের নিয়ে সকলের মাঝে উন্নয়ন বার্তার লিফলেট বিতরণ করেন। পরে তিনি মান্দারপাড়া এলাকায় একটি সামাজিক অনুষ্ঠানেও অংশগ্রহণ করেন এবং সেখানে জনগণের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। পথিমধ্যে এক শিক্ষার্থী ও চিত্রশিল্পী সেলিম হোসেন দিপুর চেহারার শাদৃশ্য আঁকা ছবি উপহার তুলে দেন।
