মেম্বার প্রার্থী হওয়ায় ষড়যন্ত্রের বেড়াজালে বারদীর নূর মোহাম্মদ নূরা

সান নারায়ণগঞ্জ

নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলার বারদী ইউনিয়ন পরিষদের আগামী নির্বাচনে ৪নং ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ইউনিয়ন কৃষকদলের সহ-সভাপতি নূর মোহাম্মদ নূরা। মেম্বার প্রার্থী ঘোষণা দেয়ার পর থেকে তাকে নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত আওয়ামীলীগের স্বৈরাচারী দোসরদের একটি সিন্ডিকেট। যারা বিগত আওয়ামীলীগ সরকার আমলে রাজনৈতিক কারনে রাজনৈতিক মামলার পাশাপাশি মিথ্যা সাজানো ডাকাতি মামলায় আসামী করে জনগণের কাছে নূর মোহাম্মদকে বিতর্কিত করে তুলেছিলো।

তবে স্থানীয়রা বলছেন, উর্ত্তী বয়সে যুব সমাজের সঙ্গে চলাফেরা করতে গিয়ে শৈশবকালে এলাকায় দুষ্টমী করে বেড়াতেন নূর মোহাম্মদ নূরা। যে কারনে বন্ধু বান্ধব ও স্থানীয়রা তাকে মজা করে নূরা পাগলা বলেও ডাকতেন। সেই সুযোগে তাকে মিথ্যা ডাকাতি মামলায় জড়িয়ে দেয় আওয়ামীলীগের স্বৈরাচারী সরকার দলীয় নেতাকর্মীরা। এলাকায় আওয়ামীলীগের অত্যাচারে টিকতে না পেরে ২০১৬ সালের দিকে নূর মোহাম্মদ প্রবাসে চলে যান জীবিকার তাগিদে।

হয়ে ওঠেন একজন প্রবাসী রেমিটেন্স যোদ্ধা। রেমিটেন্স যোদ্ধা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে ৮ বছর পর ২০২৪ সালে দেশে ফিরে এসে জাতীয়তাবাদী আদর্শে মানব কল্যাণে রাজনীতি শুরু করেছেন নূর মোহাম্মদ। বর্তমানে তিনি একজন পরিপক্ক ব্যক্তি এবং যে কারনে এলাকার নানা সমস্যা সমাধানের লক্ষ্য নিয়ে মানুষের সেবা করার ব্রত নিয়ে মেম্বার প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। কিন্তু আওয়ামীলীগের দোসরদের সিন্ডিকেট নূর মোহাম্মদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু করে দিয়েছে বলে অভিযোগ ওঠেছে।

সেই ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে আওয়ামীলীগ আমলের মিথ্যা সাজানো ডাকাতি মামলায় এখনো আদালতে হাজিরা দিয়ে আসছিলেন নূর মোহাম্মদ নূরা। কিন্তু মাঝে কোর্টে হাজিরা দিতে না পাড়ারায় তার বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারি হলে পুলিশ তাকে ২০ সেপ্টেম্বর রোববার রাতে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়। কিন্তু পরদিন আদালত থেকে জামিনে মুক্তিও পান নূর মোহাম্মদ। আর এ বিষয়টিকে নিয়েই নূর মোহাম্মদের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অপপ্রচার ও মিথ্যাচার চলছে বলে এলাকাবাসীর দাবি।

স্থানীয়রা আরো বলছেন, মূলত বারদী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন নূর মোহাম্মদ নূরা। যে কারনে তিনি মেম্বার প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেয়ায় তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে প্রতিপক্ষের লোকজন। সে কারনেই নূর মোহাম্মদকে ফাঁসানোর অপচেষ্টা করে আসছে। কোর্টের মামলায় হাজিরা মিস করায় ওয়ারেন্টে গ্রেপ্তার হওয়ার বিষয়টি নিয়ে প্রতিপক্ষ ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও গণমাধ্যম ব্যবহার করে নূর মোহাম্মদকে বিতর্কিতভাবে উপস্থাপন করে জনপ্রিয়তা কমানোর চেষ্টা করছে তার প্রতিপক্ষ।