আতাউরের পথ মসৃণ: চপল নীরব, বাধা হতে পারেন লিটু!

সান নারায়ণগঞ্জ

বেশ জোরেসোরে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীরা। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছেন চলতি মাসের যে কোনো সময় তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে। সেই হিসেবে ধারণা করা হচ্ছে চলতি বছরের শেষে কিংবা আগামী বছরের প্রথম দিকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হতে পারে। সোনারগাঁও উপজেলার মোগরাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ থেকে নির্বাচনের জন্য আগেই ঘোষণা করেছেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও মোগরাপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান।

স্থানীয়দের সূত্রে জানাগেছে, আওয়ামীলীগ সরকারের কঠিন সময়ে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে মোগরাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করেছিলেন উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরী চপল। তবে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকার পতনের পর রাজনীতিতে তার তেমন একটি সক্রিয়তা দেখা যায়নি। তিনি নির্বাচন নিয়ে নীরব রয়েছেন। তিনি নির্বাচন করবেন কিনা সে বিষয়ে এখনও খোলাসা করেননি।

এই ইউনিয়নে একাধিকবার বিএনপির হয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করেছিলেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ও মোগরাপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি কাজী নজরুল ইসলাম টিটু। তিনি ইতিমধ্যে ঘোষণা করেছেন তিনি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যা পদে লড়াই করবেন। সে হিসেবে তিনি ইউনিয়নে নির্বাচন করছেন না।

স্থানীয়রা আরো বলছেন, তবে নতুন করে আলোচনায় আসছেন কাজী টিটুর ছেলে কাজী নাজমুল ইসলাম লিটু। তিনি ছাত্র জীবনে ছাত্রদলের রাজনীতি করলেও বিগত আওয়ামীলীগ সরকার আমলে জাতীয় পার্টির হয়ে রাজনীতি করেছেন। জুলাই আন্দোলনে আবার সামনে থেকে নেতৃত্বও দিয়েছেন। ৫ আগস্ট পরবর্তীতে জাতীয় পার্টির রাজনীতি ছেড়ে বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় হয়েছেন। এর আগেও তিনি এই ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিয়েছেন।

সে হিসেবে আতাউর রহমানের পথ অনেকটা মসৃণ হলেও বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেন কাজী নাজমুল ইসলাম লিটু। যদিও লিটু এখনও নির্বাচনের সে ধরণের কোনো কার্যক্রমে নামেননি কিংবা নির্বাচনের ঘোষণাও করেননি। একইভাবে নীরব রয়েছেন চপল। তবে আতাউর রহমান বিএনপির দলীয় সমর্থন পাওয়াটা সহজ হলেও তাকে বিজয়ী হওয়াটাও ততটা সহজ হবে না। কারন এখানে বেশকজন স্বতন্ত্র ভালো মানের প্রার্থী ভোটের মাঠে লড়াই করবেন।