বিশিষ্ট নাট্যজন ও সংস্কৃতি ব্যক্তিত্ব আনিসুল ইসলাম সানিকে সংবর্ধনা
সান নারায়ণগঞ্জ
বিশিষ্ট নাট্যজন ও সংস্কৃতি ব্যক্তিত্ব, জাসাস কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক এবং কেন্দ্রীয় নাট্য সংস্থা (কেনাসং) নারায়ণগঞ্জের নবনির্বাচিত সভাপতি আনিসুল ইসলাম সানিকে বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা দিয়েছে নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন নাট্যদল, সাংস্কৃতিক সংগঠন ও নাগরিক সমাজ।
এ উপলক্ষে ৪ জুলাই শনিবার সন্ধ্যায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, প্রশাসক, জেলা পরিষদ নারায়ণগঞ্জ ও আহ্বায়ক, নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপি।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক মামুন মাহমুদ বলেন, “একটি জাতির ইতিহাস, ঐতিহ্য ও মূল্যবোধ রক্ষায় সংস্কৃতি এবং নাট্যচর্চার বিকল্প নেই। যারা সংস্কৃতিকে ধারণ করেন, তারা সমাজকে আলোকিত করার কাজ করেন। আনিসুল ইসলাম সানি দীর্ঘদিন ধরে নাট্যচর্চা, সাংস্কৃতিক আন্দোলন ও সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টিতে যে ভূমিকা রেখে চলেছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।
তাঁর মতো সাংস্কৃতিক সংগঠকরা সমাজকে ইতিবাচক পথে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। আমি বিশ্বাস করি, তাঁর নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় নাট্য সংস্থা (কেনাসং) নারায়ণগঞ্জ আরও শক্তিশালী ও গতিশীল সংগঠনে পরিণত হবে এবং নতুন প্রজন্মকে সুস্থ সংস্কৃতি চর্চায় উদ্বুদ্ধ করবে।”
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন আনন্দ রিভার ভিউ পার্ক অ্যান্ড রিসোর্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মারুফ আহমেদ বাবু। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মশিউর রহমান রনি।
সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন খবর প্রতিদিন-এর সম্পাদক এস এম ইকবাল রুমি। অনুষ্ঠানের আয়োজনে সহযোগিতা করেন ফজলুল হক পলাশ, এম আর হায়দার রানা, হাজী নুরুল ইসলাম মেম্বার, শাহ আলম ভূঁইয়া, মেহফুজুর রহমান এবং মোহাম্মদ সেলিম।
বক্তারা বলেন, আনিসুল ইসলাম সানি দীর্ঘদিন ধরে নাট্যচর্চা, সাংস্কৃতিক আন্দোলন এবং সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন। তাঁর নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় নাট্য সংস্থা (কেনাসং) নারায়ণগঞ্জের কার্যক্রম আরও সুসংগঠিত ও গতিশীল হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি তাঁরা সাংস্কৃতিক বিকাশে তাঁর অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন নাট্যদল, সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা ফুলেল শুভেচ্ছা, সম্মাননা স্মারক ও উত্তরীয় প্রদান করে আনিসুল ইসলাম সানিকে সংবর্ধিত করেন।
সম্মাননায় সিক্ত হয়ে আনিসুল ইসলাম সানি উপস্থিত সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “এই সম্মান আমার দায়িত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ভবিষ্যতেও নাট্যচর্চা ও সংস্কৃতির বিকাশে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাব।”
সংবর্ধনা শেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে স্থানীয় শিল্পীরা সঙ্গীত, আবৃত্তি ও নাট্য পরিবেশন করেন। প্রাণবন্ত পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে জেলার সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, নাট্যকর্মী, শিল্পী, সাংবাদিক, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। অনুষ্ঠানটি মিলনমেলায় পরিণত হয় এবং উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে সমাপ্তি ঘটে।
