রেজাউল করিমকে ফেলে ধানের শীষের পক্ষে চলে গেছে তার অনুগামীরা!
সান নারায়ণগঞ্জ
নারায়ণগঞ্জ-৩(সোনারগাঁও-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে একের পর এক নাটকীয় ঘটনা ঘটেই যাচ্ছে। বিএনপির সাবেক প্রতিমন্ত্রী রেজাউল করিমকে নির্বাচনী মাঠে নামিয়ে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নানের পক্ষে চলে গেছেন রেজাউল করিমের অনুগামী নেতাকর্মীরা। দিনকে দিন একা হয়ে পড়ছেন রেজাউল করিম। নির্বাচনী প্রচার প্রচারণায় নামার মত নেতাকর্মী সংকটে ভুগছেন তিনি। দুইদিন পূর্বে তার ভাই বজলুর রহমানকে দিয়ে ভোটের মাঠে প্রচারণায় নামালেও ভোটারদের মাঝে সারা ফেলতে পারেন না। এখানেই থমকে গেছে রেজাউল করিমের নির্বাচনী লড়াই।
স্থানীয়রা জানান, নির্বাচনের শুরুতে রেজাউল করিমের পক্ষে ছিলেন সোনারগাঁও উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি খন্দকার আবু জাফর, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শাহআলম মুকুল, সোনারগাঁও পৌর বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির রফিক, বারদী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কাশেম বাবু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব সালাউদ্দীন সালু, সোনারগাঁও পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর ফারুক আহমেদ তপন, সোনারগাঁও উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নূরে ইয়াসিন নোবেল, আশরাফ মোল্লা, পারভেজ সাজ্জাদ চপল, মোগরাপাড়া ইউনিয়ন বিএনপি নেতা খোরশেদ আলম।
দল থেকে বহিষ্কারের ভয়ে এরি মাঝে বাবু চেয়ারম্যান, সালু, নোবেল, আশরাফ মোল্লা ও খোরশেদ আলম বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মান্নানের পক্ষে নির্বাচনী মাঠে নামেন। শাহআলম মুকুল নিজেকে অসুস্থতার অজুহাত দেখিয়ে নির্বাচন থেকে দূরে রয়েছেন। পারভেজ সাজ্জাদ চপলকেও রেজাউল করিমের পাশে দেখা যাচ্ছেনা। রেজাউল করিমের সঙ্গে বহাল থাকায় আবু জাফর ও হুমায়ুব কবির রফিককে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করেছে দল। কিন্তু একমাত্র জাফর ও রফিকের উপর ভর করে নির্বাচনী মাঠে কুলিয়ে ওঠতে পারছেন না রেজাউল করিম। অন্যদিকে সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকা থেকে রেজাউল করিমের পক্ষে নামানোর জন্য অনেক নেতাদের দ্বারস্থ হলেও কেউ তার পক্সে ভোটে নামার আগ্রহ দেখাননি।
